
নির্দলীয় সরকার তথা তত্বাবধায়ক সরকারই একমাত্র শান্তিপূর্ণ সমাধান
অর্থনীতির ৩০ দিন ডেস্ক :
ক্ষমতাসীনরা জনগণের ভোটাধিকার, বাক-স্বাধীনতা আর মানবাধিকার কেড়ে নিয়ে কার্যত গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। এখন দুর্নীতিতে অকুণ্ঠ ডুবে থাকা উন্নয়নের বয়ান দিয়ে গণতন্ত্রকে দাফন করার চেষ্টা চলছে। বাস্তবতার নিরিখে অপরিকল্পিত ও অপ্রয়োজনীয় উন্নয়নের সুগন্ধি ছিটিয়ে গণতন্ত্রের লাশের গন্ধ ঢাকা যাবে না বলে মন্তব্য করেছে ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ মুসলিম লীগ নেতৃবৃন্দ। আজ (০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩) বেলা ১১.০০টায় নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আয়োজনে, দলীয় নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আজিজ হাওলাদারের সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভ কর্মসূচীতে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত মন্তব্য করেন। আরও বক্তব্য রাখেন, দলীয় মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে.এম রাকিবুল হাসান রিপন, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন আবুড়ী, সহ-সভাপতি এড. আফতাব হোসেন মোল্লা ও সৈয়দ আব্দুল হান্নান নূর, অতিঃ মহাসচিব আকবর হোসেন পাঠান ও কাজী এ.এ কাফী, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক খোন্দকার জিল্লুর রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা, এড. হাবিবুর রহমান, খান আসাদ, মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া, আব্দুল খালেক, আবুল কাশেম হাওলাদার, আব্দুল আলিম, ছাত্রনেতা মোঃ নুরুজ্জামান প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, উন্নয়নের আড়ালে কার্যত জনগণের অর্থ লোপাট আর পাচারের উৎসব চলেছে। লুটের অর্থে ক্ষমতাসীনদের কেউ সিঙ্গাপুরে শীর্ষ ধনী হওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছে, কেউ আবার বেগম পাড়ায় বালাখানা বানাচ্ছে। আর দেশের মালিক জনগণ ক্ষমতাসীনদের আর্শীবাদপুষ্ট ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কল্যাণে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে ন্যূনতম আত্ম-সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকারটুকু পর্যন্ত হারিয়ে ফেলছে। গুম-খুন-গ্রেফতার, গায়েবী মামলার আতঙ্ক ছড়িয়ে নাগরিকদের প্রতিবাদকে দমন করার অপচেষ্টা চলছে। দীর্ঘ দিনের লাগাতার দুঃশাসন জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমে আসতে বাধ্য করেছে। সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন-কালীন দল নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থার পুন-প্রতিষ্ঠাই তাদের ঘরে ফিরিয়ে নেয়ার একমাত্র শান্তিপূর্ণ উপায়।
জনগণের দাবী মেনে অবিলম্বে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা না হলে এই গণ-আন্দোলন অচিরেই গণ-বিস্ফোরণে রূপ নেবে। প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে সরকার কর্তৃক দেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী ব্যক্তিত্ব ড. ইউনূসের উপর একের পর এক উদ্দেশ্য প্রণোদিত মামলা দায়েরের ঘটনায় নেতৃবৃন্দ তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করে অবিলম্বে তার প্রতি দায়েরকৃত সাজানো অভিযোগ প্রত্যাহার করে দেশ ও জাতীকে কলঙ্কমুক্ত করার দাবী জানান।












