ভারতে বার্ষিক উৎপাদন ১৫ লাখ টন ছাড়াবে

অর্থনীতির ৩০ দিন ডেস্ক :
ভারতের বাগানগুলোয় চা উৎপাদন ক্রমে বাড়ছে। এ ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সাল নাগাদ দেশটিতে পানীয় পণ্যটির উৎপাদন বার্ষিক ২ দশমিক ৭ শতাংশ হারে বেড়ে ১৫ লাখ টন ছাড়িয়ে যেতে পারে। বাড়তি উৎপাদনের জের ধরে দেশটির চা রফতানি খাতে ২০২৪ সাল নাগাদ বছরে দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা যেতে পারে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) মধ্যমেয়াদি আউটলুকে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর বিজনেস লাইন ও এফএও।
চা উৎপাদনকারী দেশগুলোর তালিকায় ভারতের অবস্থান দ্বিতীয়। তবে পানীয় পণ্যটির রফতানিকারকদের তালিকায় দেশটি চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। চায়ের বৈশ্বিক রফতানি বাণিজ্যের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভারত এককভাবে জোগান দেয়। এফএওর তথ্য অনুযায়ী, ২০০২ সালে ভারতে ৮ লাখ ৬১ হাজার ২০৫ টন চা উৎপাদন হয়েছিল। ২০১২ সালে দেশটিতে পানীয় পণ্যটির উৎপাদন বেড়ে দাঁড়ায় ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৪৩ টনে। সেই হিসাবে ১০ বছরের ব্যবধানে ভারতের বাগানগুলোয় চা উৎপাদন বেড়েছে ৩ লাখ ২ হাজার ৮৩৮ টন। এ সময় দেশটির চা উৎপাদন খাতে প্রতি বছর ৩ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
ভারতের চা উৎপাদন খাতে প্রবৃদ্ধির এ ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। এর জের ধরে ২০২৪ সাল নাগাদ দেশটিতে ১৫ লাখ ১৯ হাজার ৫২৪ টন চা উৎপাদনের পূর্বাভাস দিয়েছে এফএও। এ সময় দেশটির চা উৎপাদন খাতে বছরে ২ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে।
বাড়তি উৎপাদনের প্রভাব পড়বে ভারতের চা রফতানি খাতেও। এফএওর তথ্য অনুযায়ী, ২০০২ সালে দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে ১ লাখ ৮৭ হাজার ২৩৮ টন চা রফতানি হয়েছিল। প্রতি বছর দশমিক ৫ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ২০১২ সালে দেশটি থেকে পানীয় পণ্যটির রফতানি বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ৯৭ হাজার ৩৮০ টনে। অর্থাৎ এক দশকের ব্যবধানে ভারত থেকে চা রফতানি বেড়েছে ১০ হাজার ১৪২ টন। প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সাল নাগাদ ভারত থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে চা রফতানি বেড়ে ২ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৯ টনে দাঁড়াতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। এ সময় প্রতি বছর ভারতের চা রফতানিতে দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে।