৩০ দিন প্রতিবেদক :
দেশে জ্বালানি ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে গ্যাস চাহিদা মেটাতে আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহে আসছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)। শুরুতে ব্যবসায়ীদের আগ্রহের কারণে এলএনজির চাহিদা হিসেব করা হয়েছিল প্রায় ১৫শ মিলিয়ন ঘনফুট। সেভাবেই প্রস্তুতি নেয় সরকার। প্রথম চালানে ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আসার বিষয় চূড়ান্ত হলেও আগের মত আগ্রহ দেখাচ্ছেন না শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকরা। এতে পরবর্তী চালান আমদানি নিয়ে চিন্তায় পড়েছে সরকার।
২০১৩-১৪ অর্থবছরে এলএনজি আমদানির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু নানা কারণে তা পিছিয়ে আসছে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে। তবে ব্যবসায়ীদের অনাগ্রহের কারণে চিন্তিত সরকার। বেশি দামের কারণে বড় শিল্প কারখানাগুলোকে বেগ পেতে হবে। সঞ্চালন লাইনে চুরি রোধের ব্যবস্থা না করতে পারলে চ্যালেঞ্জ থেকে যাবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোও গ্যাস সংকটে থমকে আছে। সংকট সমাধানে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয় এলএনজি আমদানির ওপর। এলএনজি আসলে বাড়বে শিল্পকারখানায় গ্যাসের দাম, বাড়বে উৎপাদন খরচও। ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো চলতে পারলেও সমস্যায় পড়তে পারে সিমেন্ট, ইস্পাতের মত বড় কারখানাগুলো। পাশাপাশি আছে অভ্যন্তর পাইপলাইনে গ্যাস চুরির শঙ্কা।
বর্তমানে শিল্পকারখানায় প্রতি ঘনমিটার গ্যাস বিক্রি হচ্ছে ৭ টাকা ৭৬ পয়সা দরে। এলএনজি আমদানির পর প্রতি ঘনমিটারের প্রস্তাবিত মূল্য ধরা হয়েছে ১৪ টাকা ৯০ পয়সা।
সূত্র: ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি












