শিরোনাম :“একাই জীবন চলা”(দুষ্টি কলম)

: খোন্দকার জিল্লুর রহমান :
তািরখ : ১৮/০৭/২০২২

দিনের শেষে জীবনসন্ধা যখন ঘনিয়ে এল
বুঝিনি কখন যে আমার দিনটা ফুড়িয়ে গেল।
যখন প্রথম আমার দিনের সূচনা শুরু হল
আমি বুঝিনি কে আমাকে কাপড় পরিয়ে দিল।
ভোরের সূর্য দেখে আমি বুঝিনি কে কি বলল
কিভাবে আমার জীবন যাত্রা এগিয়ে চলল।

রাতের শেষে যখন ভোর হয়ে এল
কখন যে আমার দেহে রক্তগঙ্গা বয়ে গেল।
চোখ মেলে যে আমাকে দেখার কথা ছিল
ট্রাকের চাকায় কেন তার দু-চোখ বন্ধ করে দিল?
বুকের পাঁজর তার হয়ে গেছে চিহ্ন ভিহ্ন

আমি কেন হয়ে গেলাম মা’র দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন…?

যার বুকে হেসে খেলে জীবনটা উঠত বেড়ে
চোখ ফুটার আগেই কেন মাকে নিয়ে গেলে কেড়ে।
নিলেনা কেন তুমি মোদের দু-জনকে একসাথে
নাড়ীর বন্ধনে থেকে যেতাম মায়ের অন্ধকার কুঠুরিতে।
নিস্পৃষ্টতার মাঝে যাকে তুমি দিয়ে গেলে প্রান
সৃষ্টির সেরা তুমি শ্রষ্টা তোমার দয়া থাকবে বহমান।

আমার জীবন এমনি করে হয়েগেল একা
চেষ্টা করেও কখনো আর পাবনা মায়ের দেখা।
জীবন দিয়ে মা যে আমার রক্ষা করল প্রান
কেমন করে শোধ হবে কি মায়ের প্রতিদান।
প্রার্থনা আজ বিধাতার নিকট করবেন প্রতিকার
পরজীবনে মায়ের সাথে দেখা হবে আবার।

বিঃদ্রঃ – ১৬/০৭/২০২২ইং শনিবার একজন অন্তঃসত্বা মহিলা গাড়ির চাকার
প্রেসনে গঠনাস্থলেই মারা যায়, কিন্তু চাপের চোটে সন্তান ভুমিষ্ট হয়ে হাতে
একটু ব্যাথা পেয়েও অলৌকিকভাবে বেচেঁ যায়। ভুমিষ্ট শিশুটির ভুমিকায় এই
কবিতাটি উৎসর্গ করা। আপনারা কে কিভাবে অনুধাবন করবেন, আমি ভাষাহীন…..