
কলমে : খোন্দকার জিল্লুর রহমান:
থারিখ : ১০/০৯/২০২২
অনুভবে জানি আমার অতৃপ্ত আকাঙ্খা তোমার কাছে মুল্যহীন,
আগ্নেয়গীরির মত বুকের ভিতর জ্বলছে লাভা,
তোমার সুতিক্ষন দৃষ্টির বুলেটের স্প্রিন্টার গুলি শরিরে
শত কষ্টের মাঝেও বয়ে বেড়াচ্ছি নির্বিঘ্নে।
তোমার শরিরের উষ্ণ তাপদাহ আমাকে পুড়িয়ে মারছে
তবুও আমি ছুটে চলেছি অনিশ্চয়তার দিকে।
চিতার আগুনে যেভাবে একটা দেহকে ভষ্ম করে ফেলে
উন্মুক্ত লেলিহান শীখা ভিতরে ভিতরে জ্বলে।
শরিরের টগবগে রক্তের গতি শিথিলতার দিকে…
চালক বিহীন গাড়িটার গতিটাও একটু কম,
ঘন কুয়াশায় সামনের বিস্তির্ন মাঠ ঘাট রাস্তা সব ঢেকে যায়
হৃদয়ের রক্তক্ষরন অনেকটাই বেড়ে গেছে।
আমার চলার গতিপথ তুমি ভিষন ভাবে আটকিয়ে দিয়েছ
ঘুমন্ত শিশুর দিকে মা-বাবার অপলক দৃষ্টির মত,
শহরের ইট পাথরের বাড়ী আর প্রজ্জলিত ফ্লাড লাইটের কাছে
পুর্ণিমা চাঁদটাও এখন আর টের পাওয়া যায় না।
লোডসেডিং জানিয়ে দেয় এটা অলিক স্বপ্ন বাস্তব নয়,কারন
প্রনোদনা কখনো নিয়মিত আয়ের সমান হয় না,
আমার হাতের স্বচ্ছ কাঁচের গ্লাসটা তুমি কেড়ে নিয়ে গেছ, কিন্তু…
তার স্বচ্ছতা আনুভব করতে পার নাই একটুও।
জান না মার্বেল পাথর যত দামি আর দুস্প্রাপ্যই হোক না কেন
সেটা অট্টালিকায় পায়ের নিছে ফ্লোরে ব্যবহার হয়,
মাথায় ব্যবহার করা মূকুট যত কম দামেরই হোক তাতে কি..
তবুও সেটা মাথার মুকুট তা চির অতুলনিয়।
ঝরে যাওয়া পাতা কখনো গাছে সোভা পায় না পদদলিত হয়
গাছ প্রতিবছর নতুন পাতা মেলে পুরোনোকে ঝেড়ে,
এটা সত্য যে মাটির উর্বরতা গাছ লতাপাতাকে স্বতেজ করে
আর মাটির উষ্ণতা স্বতেজ প্রানবন্ত গাছের জীবন নেয় কেড়ে।
প্রকৃতির নিয়মে কোন রঙ্গিন ফুল রাত্রে ফুটেনা সাদা ফুল ফুটে
আর রাতের ফুলটাই প্রচুর সুভাস ছড়ায়,
এতে ভ্রমর আসে আবার বিষাক্ত সাপও আসে নিয়মে অনিয়মে
নিরব আঁধারেও ফুল গন্ধ বিলিয়ে যায়।
ভ্রমর আলিঙ্গন করে ফুলের মধু খেলেও পরাগায়ন স্বার্থক করে
সাপের ছোবল কখনো কখনো জীবন নেয় কেড়ে।
এখনো দুর্নীবার জীবনে একাই জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাই
অবেক্ত ভাসনার মুহিরুহ শক্তিতে স্বতেজতা ফিরে পাই।
তোমার তপ্ত শরিরের মৃদু স্পর্শতার জন্য কাটছে
প্রহরের পর প্রহর অপেক্ষার,
স্বার্থক পৃথিবীতে স্বার্থক হোক আগামীর প্রজন্ম
স্বার্থক হোক মানবতার।
——————–****———————












