“করোনাভাইরাসকে সঙ্গে নিয়েই বেঁচে থাকা শিখতে হবে”… প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

“করোনাভাইরাসকে সঙ্গে নিয়েই বেঁচে থাকা শিখতে হবে”… প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।
খোন্দকার জিল্লুর রহমান :–
করোনার সংক্রমণ এড়াতে আইনি বিধিনিষেধ আরোপ না করে বিষয়টি জনগণের “ব্যক্তিগত দায়িত্ব” হিসেবে দেখতে চায় যুক্তরাজ্য সরকার।
এমনকি মাস্ক পরা না পরার বিষয়টিও জনগণের বিবেচনার উপর ছাড়তে চায় বৃটিশ কর্তৃপক্ষ।  আমেরিকাতেও গত ০৫/০৭/২০২১ ইং থেকে সকল প্রকার নিষেদাগ্যা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে বলেও জানা যায়।
আমাদের দেশে ও করোনার দ্বায় দায়ীত্ত যারযার নিজের উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত… পৃথিবীতে মানুষ সব কিছুর বিনিময়ে হলেও তার নিজের জীবনকে সবছেয়ে বেশী ভাল বাসে, তাই কখনো কেউ জীবনের দায়ভার কাহারো উপর ছেড়ে দিতে চায় না এবং দেয়ও না। কোন কারনে, কোন দেশে, কোন সরকার পুরো মানব জীবন বাঁচাতেও পারে নাই এবং পারবেও না। জনসংখ্যা বৃদ্দির সাথে সাথে মানুেষর মৃত্যুহার বাড়বে ,রোগ বালাই বাড়বে,মানুষও যে কোন প্রতিকুলতার সাথে যুদ্ধ করেই বেঁচে থাকতে হবে,। যার যার জীবনের নিরাপত্তা তার তার কাছে, সুতরাং আমরা কোন রকম প্রতিবন্দকতা, লকডাউন সাটডাউন এবং অন্য কোন আতঙ্ক চাই না সুতরাং সব কিছুই ফ্রী করে দেও য়া হউক … মৃত্যুর সাথে পান্জা লড়েই মানুষ বেঁচে থাকবে । “ঝি ঝি পোকা কামড় দেবে বলে পুরো জাতিকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা উচিত নয়”….।