

“কুমিল্লা সিটি সহ সর্বত্রই ছিনতাইকারীরা বেপরোয়া হয়ে ইঠেছে”:–

খোন্দকার জিল্লুর রহমান :-
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ চৌয়ারা থেকে সুয়াগাজী। সুয়াগাজী থেকে পদুয়ার বাজার হয়ে জাঙ্গালিয়া পর্যন্ত এই রোডে হোন্ডারোহী হাইজেকাররা পথচারীর সর্বস্ব কেড়ে নিচ্ছে এবং ধারালো অস্ত্র দ্বারা উপর্যুপরি আঘাত করে তাদের ক্ষতবিক্ষত করছে।
সন্ধার পর থেকে এই পথে যাতায়াতকারী পথচারীরা সাবধানে চলাচল করতে হচ্ছে। একটু সুযোগ পেলেই এবং প্রশাসনের দুর্বলতার সুযোগে কুমিল্লা জেলার প্রায় সর্বত্রই চিনতাইকারিদের বেপরোয়া অবস্থান লক্ষ করা যাইতেছে।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে ধনাইতরী এলাকার আব্দুল কুদ্দুস নামের একজন পথচারীকে সন্ধ্যার পর নিজ বাড়ি থেকে সুয়াগাজী বাজার যাওয়ার পথে বিশ্বরোডের পাশে হোন্ডারোহী ছিনতাইকারীরা তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে মারাত্মক ভাবে জখম করে তার মোবাইল এবং টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেয়।
এছাড়া কুমিল্লা সিটি 27 নং ওয়ার্ডের অধিবাসী মনির (বিদেশ ফেরত) সন্ধ্যায় বিশ্বরোডের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় হোন্ডারোহী ছিনতাইকারীরা তার কাছ থেকে মোবাইল এবং টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে আহত করে।
সম্প্রতি কুমিল্লা জাঙ্গালিয়া বাস স্টেশনের সামনে ছিনতাইকারীরা প্রকাশ্যে দিবালোকে মানবাধিকার কর্মী আব্দুল হান্নান ভাইকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে উনার কাছ থেকে দুটি মোবাইল এবং টাকা-পয়সার ছিনিয়ে নেয়।
হোন্ডায় ছিনতাইকারীরা তিনজন থাকে বেশির ভাগ সময়…
দুজন হোন্ডা থেকে নেমে সুযোগ বুঝে আক্রমণ করে এবং একজন হোন্ডায় থাকে! তারা তাদের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে হোন্ডা নিয়ে পালিয়ে যায়! অনেকে নতুন পুলিশ সুপার এবং নতুন জেলা প্রশাসকের দিকে ঈঙ্গিত কের বলেন করোনা কালে প্রশাসনের দুর্বলতার সুযোেগ চুরিকাঘাত, চুরি, চিনতাই সহ বিভিন্ন অপকর্ম যেভাবে বেড়েছে,. তাতে কর্তৃপক্ষের নজরদারি কোথায় ??












