
খোন্দকার জিল্লুর রহমান

পিউ পিউ.. পি উ কে ডাকে আ মা য়, মধু ম য় এ মধু সন্ধায়…।
পিউরা তো অপেক্ষায়ই আছে কখন কোন সন্ধায় ডাক পড়বে, শানিত করার জন্য এবং শানিত হওয়ার জন্য। তাতে কি একটু আধটু না হয়.. জীবনতো একটাই এক বার এ দেহ থেকে বেরিয়ে গেলেতো আর ফিরিয়ে আনা যাবেনা কখনো। স্বাদ আহল্লাদতো মানুষ দুনিয়াতেই করে। আমরাও না হয় একটু..। একটা গল্পের কথায় বলতে হয়, এক হুজুর তার শির্ষ্যদের নিয়ে পারিবারিক, সামাজিক ও ইসলামিক বিষয়ে আলাপ আলোচনায় বসেন, আলোচনার এক ফাকে এক লোক এসে হুজুরকে বললেন, ‘হুজুর মদ খাবেন? কথা শুনে হুজুরতো জিহব্বায় কামড় দিয়ে একেবারে হিমসিম খেয়ে বললেন, আরে না না আমি এসব খাইনা, এসব খাওয়া ইসলাম বিরোধি এবং বেদাতি কাজ, (ইসলামের বিপক্ষিয় বা হারাম কাজ,)। লোকজন চলে যাওয়ার পর বললেন, খাবযে কিন্তুু পাব কোথায়’? (গল্পটা কোন অবস্থাতেই হুজুর বা ইসলামিক মুসলিম সমাজকে হেয় করে দেখানোর জন্য বলা হয় নাই)। পার্শ্বে থেকে আবার একজন প্রবাদের সুরে বলে বসলেন, ‘একটু খেয়েই দেখি, আপসে আয়েগা তো জায়েজ হো জায়ে’। অর্থ্যাৎ বিনা খরছে সামনে যেহেতু পেয়েছি তাইলে খাওয়া যায়।
ছোটকালে একটা প্রয়োগ বাক্যে পড়েছিলাম, ‘সুন্দর্য্যে কার না রুচি আসে’ আসলে এমন সুন্দর্য মন্ডিত ঢুলো-ঢালো টসটসে জিনিস চোখের সামনে, হাতের কাছে ঘুর-ঘুর আর গড়াগড়ি করবে, আহ্ হা হা, আর একটু কাজে লাগাবোনা, এটা কি করে হয়…! মোটা মোটি বেশ কিছু বছর আগের একটা বাংলা সিনেমায় দেখা গানের কটা লাইন মনেপড়ে গেল, ‘বন্ধুরে, ও বন্ধুরে.. তুই মনের সূখে সকল ভুলে সা রে গা মা বা জা.. নেশা করে আজকে রাতে হব ম হা রা জা..(২)। যা কিছু তোর সামনে আ ছে.. লেন দেন হবে পা ছে (পেছনে), একটুখানি পান করে তুই হয়ে যা রে তা জা, নেশা করে আজকে রাতে হ য়ে যা রে তা জা’। এমন তরতাজা সুযোগে মানুষ, প্রশাসন তো দুরের কথা, ইহকাল পরকাল সবইতো ভুলে যায়। তখন তাদের কাছে পাপিয়ারা বেহেস্তের হুর বলেই মনে হয়। আর পাপিয়ারা তো নিজেদের লোভ লালসা চরিতার্থ করার ফাঁদ নিয়ে বসে আছে নিজেদের অতৃপ্ত ভাসনা কামনা ও হাসিলের মাধ্যমে জীবনের অভাব -অভিযোগ, অর্থকষ্ট অতিক্রম করে টাকাওয়ালাদের নিকট নিজেকে ভাসিয়ে দিয়ে কাড়ি কাড়ি টাকার পাহাড়কে নিজের করে নেয়ার জন্য। নেশার ঘোর কেটে যাওয়ার পর যখন বুঝতে পারে তখন আর কিছুই করার থাকেনা। কারণ এরই সুযোগে তারা পাপিয়াদের ব্লেক মেইলিং তথা সি সি কেমেরার জালে আটকা পড়ে গিয়েছেন এবং ফাঁদে আটকিয়ে পাপিয়ারা শুরু করেছেন একটা একটা করে বেগুন উঠিয়ে খাওয়ার কাজ, তারাতো বেগুন খেতেই পছন্দ করেন বেশী, মুলা খাওয়া নয়, আসলে বেগুনতো বারবার খাওয়া যায়, আর মুলাতো একবারেই শেষ। এসব সুযোগ একবার যারা পায়, অবিশ্বাষ্য হলেও সহজে তা হাতছাড়া করে না।
নিজেকে প্রচার ও প্রসার করে দেখাতে কার ভাল না লাগে, প্রচার প্রসার যদি একটু বেশীই হয় তাইলেতো কোন কথাই নাই, হোক সেলফি, পত্র পত্রিকা বা ইলেক্ট্রনিক্সসহ যেকোন মিড়িয়া। পত্র-পত্রিকা বা ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়া একটু ব্যায় বহুল হলেও ফেসবুকের বদৌলতে একেবারেই সহজ পদ্ধতি সেলফিতেই আনন্দ বেশী এবং সহজলব্য প্রচার, নিজে নিজে উঠাও আর আপলোড করো ব্যোশ হয়েগেল, শুরু হল হু-ম-ম-ম করলেই চলে আসা ভক্তদের কাঁড়ি কাঁড়ি লাইক দেওয়ার মাধ্যমে প্রচার আকাশচুম্বি হওয়ার কাজ, সেই সাথে যদি একজন ২৩শোর্ধ সুন্ধরি স্মার্ট নারী সাথে থাকে, হাওয়ায় ভাসতেও কোন অসুবিধা হয় না, নিজেকে ভাবতেই খুউব অন্যরকম লাগে। অনেকে বলে, ‘নোয়াখালির পোলা, আশি টাকা তোলা’, দামি জিনিসের কদর সবসময় একটু বেশীই হয়। তাই আমাদের মৃত্যুকুপ থেকে উঠে আসা দিতীয় ইনিংসের খেলোয়াড়, সফল সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীকেও পিউর সেলফিতে সোভা পেতে দেখা যাচ্ছে। তিনি আবার বলেছেন, যে ই আপরাদে যুক্ত হবেন সবাইকে ধরা হবে, ঠিকই বলেছেন, তিনি অবশ্য যারা পুর্ব থেকেই জড়িত আছেন তাদের কথা বলেন নাই। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী (ওবায়দুল কাদের) একজন খুব চৌকশ ও দলভক্ত নেতা, তিনি আরো বলেন, ‘অপরাধীদের আওয়ামী লীগে স্থান হবে না। তার অপরাধের বিচার হবে। এরই ধারাবাহিকতায় পাপিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাপিয়াকে চতুর্থ সারির নেতা উল্লেখ্য করে তিনি আরো বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই পাপিয়া গ্রেফতার হয়েছেন। আমরা নিজের ঘরের অপরাধীকেও ক্ষমা করছি না।’ নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের এক প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, পাপিয়া কাহীনি দলকে চরম বিব্রত করেছে। একই সঙ্গে সংগঠনের নেত্রীদের ভাবমূর্তি ক্ষ্ণ্নু হয়েছে। তাইলে একজন চতুর্থ সারির নেতাযদি এহেন অবস্থা করে থাকেন তাহলে মানের ঊর্ধ্বক্রমে তৃতীয়, দ্বিতীয় ও প্রথম সারির নেতারা যা করেছেন সেটা সকল স্বচেতন মহলের নিকট অনুমেয়। আমরা আসলে কোনভাবেই অবাক হইনা যে, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহীনি একজন অপরাধিকে গ্রেফতার করতে হলেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের প্রয়োজন লাগে…। পিউর সেলফিতে আরো সোভা পাওয়া যাচ্ছে আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সরকারের গতটার্মে সুনাম অর্জনের দায়ে বাদপড়া প্রাক্তন বানিজ্যমন্ত্রী ও প্রাক্তনক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীসহ আরো বেশকজন নামিদামি রাষ্ট্রীয় পলিসি মেকারকে। এই সমাজের এতসব উঁচুদরের লোকদের এটাতো মামুলি ব্যপার, যেখানে রিক্সাওয়ালারাও পুরুষ যাত্রির চেয়ে একজন ইয়াং নারী যাত্রি পেলে খুব শক্তিতে টেনেনিয়ে যেতে আনন্দ পান। যুব মহিলা লীগের নষ্ট রাজনীতির সিন্ডিকেটে বঙ্গভবন থেকে সর্বত্র রাষ্ট্রীয়, রাজনৈতিক, সরকারি ও সামাজিক অনুষ্ঠানে এই নারী দাপটের সঙ্গে বিচরণ করেছে। রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে, রাষ্ট্র, সমাজ ও রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ সম্মানিত ব্যক্তিদের সঙ্গেও সেলফিসহ দলবেঁধে নানা ছবি তুলে সেটিকে ব্যবহার করেছে। অথচ রাষ্ট্রপতিসহ অনেক সম্মানিত ব্যক্তি তাকে চিনতেনই না বললেও প্রকৃত অবস্থা আমাদের জানা নাই। আমরা আশা করব রাষ্ট্রের স্বার্থে ও জনগনের স্বার্থে মহামান্য এবং মাননীয়রা পিউদের চিনে রাখা উচিত।
আমাদের নারির অগ্রগতি দেশ হতে দেশান্তরে, আমাদের দেশের নারীর যে ঈর্ষণীয় অগ্রগতি, তা সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয়। যে দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, প্রধানবিরোধী দলসহ দুই বিরোধীদলীয় নেতাই নারী সে দেশের নারীর অগ্রযাত্রা কম নয়। দুঃসাহসী ও চ্যালেঞ্জিং কর্মকাণ্ডে সফলতার স্বাক্ষর রাখছে আমাদের নারীরা। পুরুষের পাশাপাশি নারী সদস্যরা সেনা, পুলিশ, বিমান বাহিনীসহ সবসেক্টরের বিভিন্ন দায়ীত্ত্বশীল পদেও নারীর অবস্থান শীর্ষে এবং নারীরা অত্যদিক সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। সাহসিকতা ও দক্ষতার জন্য আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনীতে অনেক বাংলাদেশী নারী সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। কেহ কেহ বলেন, এই পিউরাও আমাদের নারির অগ্রগতিরই একটা অংশ মাত্র। যেখানে সবকিছু এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে পিউরা পিছিয়ে থাকবে কেন?

প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি হিসাবে নিয়োজিত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও নিজেদের সাংবিধানিক দায়ীত্তের কথা ভুলে গিয়ে এসব কার্যকালাপের সহায়তা করে যাচ্ছে, যদিও সংবিধানিক নিয়মে উল্লেখ্য আছে যে, প্রজাতন্ত্রের কোন কর্মচারি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে রাজনীতির সাথে জড়িত হতে বা থাকতে পারবেনা, এর ব্যাতিক্রম হলে তিনি সরকারি চাকুরির যোগ্যতা হারান। কিন্তুু বাস্তবে তার উল্টো চিত্রই দেখা যায় বেশী। দেশের প্রতিরক্ষা খাতের সকল বাহিনীর প্রধান, প্রধানমন্ত্রী, তার নির্ধেশনাতেই সকল কাজকর্ম চলে তাই হয়তো পিউ, এনু-রূপন, সম্রাট, খালেদের মত নামিদামি সন্মানিত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর অনুমতির প্রয়োজন হয়, অনুমোদিত গ্রেফতারের পর দেখা যায় তাদের সহযোগি গডফাদারদের নাম তারা প্রকাশ করেনা। কারন জানতে চাইলে এসকল আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও গোয়েন্দাসংস্থার সেই চিরাচরিত একঐ কথা,‘তদন্তের স্বার্থে নাম প্রকাশ করা যাবেনা’ কারণ নাম প্রকাশ করলে যদি থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে তবে সরকার, প্রশাসন ও যারা এই দু:শাহসিক কাজগুলি করেন তারা বেকায়দায় পড়তে পারেন, তাই অদৃশ্য কারনে তদন্ত চলতে থাকে ঘন্টা, দিন, মাস থেকে শুরুকরে বছরের পর বছর বটে, কিন্তুু গডফাদারদের নাম আর কোনদিন বেরিয়ে আসেনা। সাগর-রুনি হত্যাকান্ডই তার প্রকৃত উদাহরন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুব মহিলা লীগের এক নেত্রী জানান, পাপিয়ার মতো আরও অনেক নেত্রী রয়েছেন, যারা বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ম্যানেজ করেই অপকর্ম করে যাচ্ছেন এবং ‘আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ’ হয়েছেন।
রাজ প্রথার যুগে রাজা-মহারাজা-নবাবদের নবাবিখানা বা হেরেম খানায় ও নাচঘরে, রূপে-গুণে আর নাচ-গান ও অঙ্গভঙ্গির জাদুতে বাইজিরা সবাইকে আমগ্ন রাখতেন নগদ অর্থ এবং বেতনের বিনিময়ে, কেহ কেহ আবার মন জয় করে রক্ষিতা হয়েও থাকতেন অনেকটা বাধ্য হয়ে। তাদের অভিশপ্ত জীবনের কান্নার শব্দ অন্দর মহলে সিমিত ছিল। যুগের পরিবর্তনের ফলে ঔপনিবেশিক শাসনের শৃঙ্খলমুক্তির পর সামরিক শাসকদের মনোরঞ্জনে যেতেন তথাকথিত হাইসোসাইটির সুন্ধরী নারীরা, আর বর্তমান ডিজিটাল যুগের কতৃত্ত্ববাদি শাসনআমলের ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের স্বার্থসিদ্ধ মনোরঞ্জনে এগিয়ে আসে পিউদের মত হাই সোসাইটির মহিলারা। লোভ এবং ক্ষমতার উচ্চাভিলাষে শুধুমাত্র দেহের যোগ্যতায় তারা শেষপর্যন্ত প্রতাপশালী শাসকদেরই বিতর্কিত করেননি, নিজেদের জীবনকেও অভিশপ্ত বানিয়েছেন, করেছেন দেশের
নারী সমাজ তথা নারীর অগ্রতির পথকে কলঙ্কিত। বর্তমান কালের একদল নেতা-মন্ত্রী-এমপি, আমলাও ক্ষমতার জোরে হয়েছেন এসব বারবনিতাদের ভালবাসার কাঙ্গাল! দু-একজন হাস্যরস করে বলেন, ‘ঘরের জিয়ানো মাছতো যেকোন সময়েই খাওয়া যায়, কিন্তুু বড়শি দিয়ে একদুটা মাছ ধরে খাওয়ার মজাই আলাদা’ তারা আল্গা (ভিন্ন) খেতে পছন্দ করেন বেশি।
বর্তমানে বিভিন্ন পন্য বাজারজাত করনের পলিসি হিসাবে এটার সাথে ওটা বা ওটার সাথে এটা, এরকম বোনাস দেওয়া হয়, গ্রাহকরাও বাড়তি কিছু পেয়ে তৃপ্ত হন, কোম্পানিও এর মাধ্যমে বেশ লাভবান হয়, ঠিক তেমনি বর্তমান ক্ষমতাসিন দলের হাই প্রোফাইল নেতা আমলারাও পিউদের পদপদবি দিয়ে বোনাস হিসাবে তৃপ্তি অর্জন করে চলছিলেন। সবইতো চলছিল ঠিকঠাক, কিন্তুু তাতে আবার র্যাব বেঁকে বসল কেন বুজা গেলনা, কি তাদের হিসাব মিলেনাই নাকি অন্যকিছু, এক্কেবারে প্রশাসনের এবং দলের রাঘব বোয়ালদের বাড়াভাতে ছাই দিয়ে বসল, খোদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোতি নিয়েই নাকি পিউ ও প্রেয়সিদেরকে আটক করে নিজেদের কৃতিত্ব দেখানোর মাধ্যমে জনগনের লুলুফ দৃষ্টি কেড়ে নেয়। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী তদন্তের স্বার্থে প্রেয়সিদের গডফাদার ও সহায়তাকারিদের নাম ও ছবি প্রকাশ না করলেও ফেসবুক এবং সেলফি প্রচারের কারনে রাষ্ট্রের শির্ষব্যক্তি থেকে নেতা আমলা কাউকেই চিনতে ভূল করেনাই দেশের ভোটাধিকার বঞ্জিত ও আপামর সাধারন জনগন। জানিনা, তাদের লাজলজ্জা-রুচি বলতে কি কিছইু নেই? তারা নিজেরা লজ্জা না পেলেও দেশের জনগন তো লজ্জা পেয়েছে। আসলে লজ্জাতো নারির ভূষন, পুরুষ লজ্জিত হয়না।
ইসলামিক রীতিনীতিতে আছে একজন পুরুষ নাকি একসাথে ৪ জন মহিলাকে বিয়ে করে রাখতে পারেন । এটা জায়েজ(বৈধ)। কিন্তুু বর্তমান নারীর অগ্রগতির যুগে এতজনকে একসাথে রেখে বাস্তবতাকে বিতর্কিত ও পারিবারিক জীবনকে সংঘাতময় না করার জন্য পরিবারকে না জানিয়ে আড়ারে আগঢালে দু-চারজন রূপুশিদের রূপযৌবনের জোয়ারে ডুবে থাকতে নিরাপদ বোদ করেন এবং চোখ দুটোকে স্বার্থক করেন। সৃষ্টিকর্তা আসলে একসঙ্গে এত রূপ দেখার জন্য পুরুষদের দুটি মাত্র চোখ দিয়েছেন।
সেকালের বারবনিতা বা বাইজিদের চেয়ে বর্তমান কালের রাজনীতির বাইজিরা আরো অনেক সুন্দর, স্মার্ট, মডার্ণ এবং কৌশুলি। সময়-সুযোগ বুঝে নেতাদের, দলের, মন্ত্রীদের বাসা-বাড়ী ও অফিসে গিয়ে স্বার্থ ও কাজ আদায়ের জন্য বেশী ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে। প্রশাসনের এক শ্রেনীর অসাধু কর্মকর্তা এদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা ও ব্যবহারকারী। তারা ভাসমান মক্ষীরানী, বারবনিতা এবং তাদের দালালদের চেয়ে বেশী আতঙ্কের। এরা সমাজ-রাজনীতি, নেতৃত্ব, প্রশাসন সবখানের সব চরিত্র গিলে খাচ্ছে। এরা উভয়কে উভয়ের কাজ ব্যবহার করে নিজেরা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হন এবং প্রশাসনের নিকট দুধে ধোয়া তুলসিপাতা হিসাবে পরিচিতি দেন। এখনি সরকারকে দুর্নীতিবিরোধী শক্তিশালী অভিযান ও দলে শুদ্ধি অভিযান না চালালে সবকিছু নষ্টদের হাত থেকে বাঁচানো যাবেনা, সামনে লেপার-বেশ্যাদের হাতে চলে যাবে। দেখা দেবে কঠিন রাজনৈতিক সঙ্কট ও সামাজিক বিপর্যয়। দেশের সতের কোটি মানুষ এর থেকে পরিত্রান চায়।
লেখক : সম্পাদক প্রকাশক, অর্থনীরি ৩০ দিন ও মানবাধিকার কর্মী।











