যতগুলো বীমাকোম্পানী অনুমোদন পেয়েছে, ততগুলো কোম্পানীর ব্যবসা করার মত ব্যবসা বাংলাদেশে নেই।—আবুল কালাম আজাদ

আবুল কালাম আজাদ
মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড

আবুল কালাম আজাদ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেয়ে ২৬ নভেম্বর, ২০২৩ থেকে তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮২ সালে এম.কম (ম্যানেজমেন্ট) ডিগ্রি অর্জন এবং ২০০৪ সালে ইন্স্যুরেন্স একাডেমী ইন্স্যুরেন্স ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন। ১ আগষ্ট, ২০০১ তারিখে তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এন্ড কোম্পানী সেক্রেটারী হিসেবে যোগদান করার পর থেকে ধাপে ধাপে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পান এবং কোম্পানীতে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতা ও সফলতার মাধ্যমে ৫ বার দায়িত্ব পালন করেন।
তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডে যোগদানের আগে ইসলামী ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডে সহকারী মহাব্যবস্থাপক ও কোম্পানী সেক্রেটারী হিসেবে দু’বছর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং এন্ড রিসার্চ একাডেমীর গেষ্ট স্পীকার, তাকাফুল ইস্যুতে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমীর প্যানেল লেকচারার, বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গেষ্ট লেকচারার ও ইষ্টার্ন ইউনিভারসিটির ফ্যাকাল্টি মেম্বার। আবুল কালাম আজাদ ২০০৭ এবং ২০০৯ সালে সেন্ট্রাল শরীয়াহ কাউন্সিল আয়োজিত বেসিক ফাউন্ডেশন কোর্সে ইসলামী জেনারেল এবং লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বাস্তবায়নের উপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এছাড়াও তিনি সেন্ট্রাল শরীয়াহ কাউন্সিল অব ইসলামী ইন্স্যুরেন্স অব বাংলাদেশ এর এ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী জেনারেল, ফেনী ক্লাব লি: ও ফেনী সমিতি ঢাকার আজীবন সদস্য, ফেনী ফোরাম ঢাকার জয়েন্ট সেক্রেটারী, ফুলগাজী ফোরাম, ঢাকার প্রেসিডেন্ট, ইহসান ফাউন্ডেশন ঢাকার সদস্য, এছাড়াও দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
জনাব আজাদ ভারত, নেপাল, মালয়েশিয়া, ইউএই, সৌদি আরব, থাইল্যান্ড, ইতালী, জার্মানী, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, নরওয়ে, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল ও এসতোনিয়া দেশ ভ্রমন করেন।

দেশের বীমাখাত নিয়ে অর্থনীতির ৩০ দিন সম্পাদক প্রকাশকের সাথে তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার টেবিলে আলাপচারিতায় কিছুক্ষন…

অর্থনীতির ৩০ দিন:— বীমা শিল্পে আসার পর আপনার প্রথম জীবনের অভিজ্ঞতা বা প্রথম জীবনের দিনগুলি কেমন ?

আবুল কালাম আজাদ : বীমা শিল্পে আসার পর প্রথম জীবনে বীমা শিল্পে মান-মর্যাদা ছিল। গ্রাহক অফিসে এসে পলিসি গ্রহণ করতো। কমিশন নামে কোন শব্দ প্রচলিত ছিল না। বীমা কোম্পানী প্রচুর পরিমাণে লাভ করতে পারতো। কোম্পানীগুলোও গ্রাহকের সম্পদের সুরক্ষার বিষয়ে আন্তরিক ছিল; যা বর্তমানে নেই। অসম ও অনৈতিক প্রতিযোগীতা ছিল না। সকল কোম্পানীই কর্তৃপক্ষের আইন মেনে চলার মানসিকতা রাখতো। ব্যাংকের চাইতে গুরুত্ব কোন অংশেই কম ছিল না।

অর্থনীতির ৩০ দিন:– আপনার মতে বীমা শিল্পের প্রতি আমাদের দেশের সাধারন মানুষের নেতিবাচক ধারনার এবং বীমা শিল্পের চাকুরীতে আসতে না চাওয়ার কারন কি এবং কেন ?

আবুল কালাম আজাদ : বীমা শিল্পে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি আগে থেকেই কিছুটা ছিল। বীমা কর্মীকে দালাল হিসেবে চিহ্নিত করতো। বিশেষ করে জীবন বীমার ক্ষেত্রে। পরবর্তী পর্যায়ে ব্যাপক হারে বীমা কোম্পানীর অনুমোদন ও মাঠে কাজ করার
ক্ষেত্রে লাইফ ও নন-লাইফ উভয় ক্ষেত্রেই নৈতিক মান রাখতে পারেনি। অশিক্ষিত ও ফড়িয়াবাজ বীমাকর্মীদের দ্বারা গ্রাহকদের প্রিমিয়াম যথাযথভাবে জমা না করা, কমিশন নিজে গ্রহণ করা, Maturity হবার পরও বীমাকৃত টাকা ফেরৎ না দেয়া, দাবী পরিশোধের ক্ষেত্রে গড়িমসি করা, না দেয়া, ঘন ঘন কোম্পানী পরিবর্তন ইত্যাদি কারণে নেতিবাচক ধারণা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বীমা শিল্পের ডেস্কে কর্মকর্তা/কর্মচারীদের দুর্বল বেতন পাঠানো, অবমূল্যায়ন, উন্নয়ন বিভাগের কর্মকর্তাদের দাপট, পদ-পদবীর অযাচিত ব্যবহার ইত্যাদি কারণে বীমা শিল্পে শিক্ষিত ভাল ক্যালিভারের কেউ চাকুরী করতে আসতে চায় না।

অর্থনীতির ৩০ দিন:– ৫৪ হাজার বর্গমাইল এর বাংলাদেশে এতগুলো বীমা কোম্পানী, শোনা যাচ্ছে আরো কয়েকটি কোম্পানী অনুমোদনের অপেক্ষায়, প্রকৃতপক্ষে এতগুলো কোম্পানীর প্রয়োজনীয়তা আছে কি ?

আবুল কালাম আজাদ : আমার দৃষ্টিতে নন-লাইফ বীমার ক্ষেত্রে কোম্পানীর সংখ্যাধিক্য রয়েছে। যতগুলো কোম্পানী ব্যবসা করছে বা অনুমোদন পেয়েছে ততগুলো কোম্পানী ব্যবসা করার মতই ব্যবসা বাংলাদেশে নেই। যার কারণে কোম্পানীর ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য অসম ও অনৈতিক প্রতিযোগীতায় লিপ্ত হতে হচ্ছে। নন-লাইফ বীমার ক্ষেত্রে বীমা কোম্পানীর সংখ্যা কমানো উচিত। জীবন বীমার ক্ষেত্রে অন্তত: ৪০% মানুষকে বীমার আওতায় আনার জন্য আরো বীমা কোম্পানীর প্রয়োজন রয়েছে।

অর্থনীতির ৩০ দিন:–বর্তমানে আমাদের বীমা খাতের প্রতিবন্ধকতা ও চ্যালেঞ্জ গুলো কি কি? টেকসই ও শক্তিশালী বীমা খাত গড়ে তোলার জন্য আমাদের কি করা উচিৎ ?

আবুল কালাম আজাদ : বর্তমান বীমা খাতের প্রতিবন্ধকতার কারণ হচ্ছে : বিশেষকরে
* অনৈতিক ও অসম প্রতিযোগীতা
* কোম্পানীগুলোর যোগ্য ও সৎ কর্মী বাহিনীর অভাব
* জনশক্তির অভাবে আইডিআরএ এর তদারকি কম থাকা
* জনসচেতনার অভাব
* নন-লাইফ এর ক্ষেত্রে কোম্পানী সংখ্যাধিক্য
* নন-লাইফ এর ক্ষেত্রে যুগপোযোগী ট্যারিফ না থাকা
* সাধারণ বীমা ছাড়া বেসরকারী খাতে পূন:বীমা কোম্পানী না থাকা
* দাবী পরিশোধের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা
* দক্ষ জনশক্তি তৈরীর উন্নত প্রশিক্ষণ না থাকা
* ফড়িয়াবাজদের দৌড়াত্ব
* জনগণের নেতিবাচক প্রবণতা
* ব্যবস্থাপনা ব্যয় বৃদ্ধি
* সম্পদ বা সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে পুঁজি সরানো।
একটি শক্তিশালী বীমা খাত গড়ে তোলার জন্য অসম ও অনৈতিক জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করা, নেতিবাচক ধারণা দূর করার জন্য গণসচেতনতা বৃদ্ধি করা। আইডিআরএ বীমার জ্ঞান সম্পন্ন পর্যাপ্ত জনশক্তি নিয়োগ ও Integrated Software এর মাধ্যমে বীমা খাত আইডিআরএ এর নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা প্রয়োজন।

অর্থনীতির ৩০ দিন:–প্রায় শতভাগ কোম্পানী ডিজিটাল হওয়ার পথে, এতে করে জনগনকে শতভাগ তথ্য আদান প্রদান ও লেনদেন নিশ্চিত করতে পারছে কিনা এবং কোম্পানীগুলো কতটুকু উপকৃত হয়েছে বলে মনে করেন ?

আবুল কালাম আজাদ : বর্তমানে ডিজিটাল হওয়ার পথে হলেও কোম্পানীগুলো তা ব্যবহারে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। অনেক কোম্পানীই ম্যানুয়ালী কাজ করে। জনগণকে সঠিক তথ্য প্রদান করা হচ্ছে না। জনগণও এসব বিষয়ে আগ্রহী নয়। অধিকাংশ
কোম্পানীই অসৎ উদ্দেশ্যেই সম্পূর্ণভাবে ডিজিটালাইজেশনের আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

অর্থনীতির ৩০ দিন:–ফান্ডের ক্ষেত্রে তৃতীয় ও চতুর্থ প্রজন্মের কোম্পানীগুলো অনেক পিছিয়ে পড়ার কারন কি?

আবুল কালাম আজাদ : তৃতীয় ও চতুর্থ প্রজন্মের কোম্পানীগুলোর মধ্যে ব্যবসা সংগ্রহের ক্ষেত্রে অনৈতিক ও অসম প্রতিযোগীতার কারণে ফান্ড গড়তে অসুবিধা হচ্ছে।

অর্থনীতির ৩০ দিন:–একজন বীমাবিদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে আপনার কাছে ভিন্ন মতামত জানতে চাই, সাধারণ বীমা এবং জীবন বীমার ক্ষেত্রে শিক্ষিত সমাজের অনীহার কারন কি কি এবং শিক্ষিত সমাজকে বীমার আওতায় আনতে হলে কি কি পদক্ষেপ নিতে হবে?

আবুল কালাম আজাদ : অশিক্ষিত ও ফড়িয়াবাজ বীমাকর্মীদের দ্বারা গ্রাহকদের প্রিমিয়াম যথাযথভাবে জমা না করা, কমিশন নিজে গ্রহণ করা, Maturity হবার পরও বীমাকৃত টাকা ফেরৎ না দেয়া, দাবী পরিশোধের ক্ষেত্রে গড়িমসি করা, না দেয়া, ঘনঘন কোম্পানী পরিবর্তন ইত্যাদি কারণে নেতিবাচক ধারণা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বীমা শিল্পের ডেস্কে কর্মকর্তা/কর্মচারীদের দুর্বল বেতন পাঠানো, অবমূল্যায়ন, উন্নয়ন বিভাগের কর্মকর্তাদের দাপট, পদ-পদবীর অযাচিত ব্যবহার ইত্যাদি কারণে বীমা শিল্পে শিক্ষিত ভাল ক্যালিভারের কেউ চাকুরী করতে আসতে চায় না।

অর্থনীতির ৩০ দিন:– (বাজারে প্রচলিত আছে আইন ভঙ্গ করে অতিরিক্ত কমিশনে ব্যবসা করছে কিছু কোম্পানী), প্রিমিয়াম জমার পরিবর্তে এবং অতিরিক্ত কমিশন সমন্বয় করার জন্য কোম্পানীগুলো ভুয়া ক্লেইম দেখিয়ে কমিশন জায়েজ করছে, এতে কি কি সমস্যা তৈরি হয় ? এসব অনিয়ম রোধে আইডিআরএ এর কি করনীয় বলে মনে করেন ?

আবুল কালাম আজাদ : অসম ও অনৈতিক প্রতিযোগীতার কারণে কোম্পানীগুলো যেসব সমস্যার সম্মুখীন হয় ঃ
* সঠিক ট্যারিফে ব্যবসা করে না
* দাবী পরিশোধে ব্যর্থ হয়
* যথাযথভাবে পূন:বীমা প্রোটেকশন নিতে পারে না
* মেয়াদান্তে গ্রাহককে বিনিয়োগ ফেরৎ দিতে পারে না
* ভ্যাট পরিশোধে নিয়ম মেনে চলতে পারে না।
অবশ্যই বীমা উন্নয়ন এবং নিয়ন্ত্রনকারী কর্তৃপক্ষ, (আইডিআরএ) প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান। একমাত্র আইডিআরএ এর সঠিক পদক্ষেপেই কমিশন বাণিজ্য বন্ধ হতে পারে।

অর্থনীতির ৩০ দিন:– পলিসি তামাদি হওয়ার কারনগুলি কি ? এবং তামাদি পলিসি নিয়ে আপনাদের ও গ্রাহকদের কি কি সমস্যায় পড়তে হয়,আর এ থেকে পরিত্রানের উপায় কি ?

আবুল কালাম আজাদ : মাঠ পর্যায়ের বীমাকর্মীদের কারণেই মূলত: তামাদি পলিসির সৃষ্টি হয়। যথাযথভাবে গ্রাহকদের সাথে সম্পর্ক না রাখা, ঘনঘন কোম্পানী পরিবর্তন ও টানা পলিসি ইত্যাদির কারণে পলিসি তামাদি হচ্ছে। তামাদি পলিসির
কারণে একদিকে গ্রাহক তার জমা টাকা ফেরৎ পাচ্ছে না। অপরদিকে কোম্পানী প্রিমিয়াম আহরণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বীমাকর্মীদের সচেতন করা, ঘনঘন কোম্পানী পরিবর্তনের প্রবণতা হ্রাস করা এবং আইডিআরএ এর সুস্পষ্ট নীতিমালার মাধ্যমে এর থেকে পরিত্রাণ পাওযা সম্ভব।

অর্থনীতির ৩০ দিন:– সাধারন মাঠকর্মী থেকে লম্বা সময়, কঠোর পরিশ্রম এবং অনেকগুলি স্তর পেরিয়ে একজন মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হওয়া পর্যন্ত আপনার সফলতাগুলি কি কি এবং ব্যার্থতা থাকলেও বলুন।

আবুল কালাম আজাদ : তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স লিঃ এ আমি প্রথম নিয়োগ প্রাপ্ত কর্মকর্তা। ডিজিএম পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘ ২২ বৎসরে কোম্পানীর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ ও অনুমোদন পেয়েছি- আলহামদুলিল্লাহ। দীর্ঘসময়ে সিইও হিসেবে আমার দায়িত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে যে ফ্যাক্টর কাজ করেছে তা নিম্নরুপ :
* আল্লাহর অশেষ রহমত
* পরিচালনা পরিষদের আস্থা
* সহকর্মীদের সহযোগীতা
* ধৈর্য্য ও সহনশীলতা
* লক্ষ্যের পানে অবিচল
* কোম্পানীকে নিজের মনে করা
* সমালোচনা ও পরনিন্দা অগ্রাহ্য করা
* আইন ও নিয়মের ক্ষেত্রে আপোষহীনতা
* সত্য ও ন্যায়সঙ্গত: বিষয়ে অকুতোভয় থাকা
* ইনসাফের সাথে ফয়সালা করা।
ব্যর্থতা হলো সময়ের সাথে তাল মিলাতে না পারা, অনৈতিক কাজ থেকে বিরত থাকা, গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসাতে না পারা। তোষামোদ করতে না পারা এবং সর্বোপরি যেনতেনভাবে নিজের উন্নয়ন করতে আগ্রহী না হওয়া।

অর্থনীতির ৩০ দিন:–অর্থনীতির ৩০ দিন সম্পর্কে আপনার মতামত জানতে চাই…

আবুল কালাম আজাদ : অর্থনীতির ৩০ দিন পত্রিকাটি (ম্যাগাজিন) দেশের ব্যাংক, বীমা, শিল্প বিষয়কসহ তথ্যবহুল অর্থনীতির ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দিকসহ দেশ ও সমাজ উন্নয়নের জন্য সু-পরিছন্ন একটি পত্রিকা। সাহিত্য সাংস্কৃতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিক্ষা এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সমৃদ্ধ একটি জ্ঞানের ভান্ডার হিসাবেও ভাল ভুমিকা রাখার এবং পড়ার মানসম্মত পত্রিকা। শিক্ষিত ও সুশীল সমাজের নিকট পত্রিকাটি গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও রাখবে বলে আশা করি।

অর্থনীতির ৩০ দিন:–আপনাকে ধন্যবাদ …

আবুল কালাম আজাদ : আপনাকেও ধন্যবাদ…