এ্যাড.বদরুদ্দোজা সুজা সভাপতি ও কাজী আবুল খায়ের মহাসচিব নির্বাচিত

মুসলিম লীগের নবম কাউন্সিল
গতকাল (২৯ সেপ্টেম্বর) ইন্সটিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের কাউন্সিল হলে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ মুসলিম লীগের নবম জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে ৪৩টি জেলার ৪৩৮জন কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে সর্বসম্মতিক্রমে এ্যাড. বদরুদ্দোজা সুজা সভাপতি ও কাজী আবুল খায়ের মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন। নবনির্বাচিত সভাপতি সুজা সুনামগঞ্জ-১ থেকে ১৯৮৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি সুনামগঞ্জের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ তৎকালীন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি আবদুল খালেকের বড় সন্তান। অপরদিকে বহুধা বিভক্ত ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল মুসলিম লীগকে একীভূত করার পেছনে তার অবদান এবং সময়োচিত সাহসী নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই কাউন্সিলর বৃন্দ সর্বসম্মতিক্রমে কাজী আবুল খায়েরকে টানা তৃতীয় বারের মত দলের মহাসচিব নির্বাচিত করেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী কাউন্সিলে প্রধান অতিথি ছিলেন।

কাউন্সিলরদের মধ্যে নাটোরের আব্দুর রশীদ খান চৌধুরী, খুলনার ওয়াজির আলী মোড়ল, নীলফামারীর কাজী আশফাক, শরীয়তপুরের আনোয়ার হোসেন আবুড়ী, মাদারীপুরের আবুল কাশেম হাওলাদার, ফেনীর কাজী এ.এ কাফী, চাঁদপুরের আফতাব হোসেন স্বপন, কুষ্টিয়ার আবদুল খালেক, ময়মনসিংহের মোঃ হাসমত উল্ল্যাহ, ঢাকার শহুদুল হক ভূঁইয়া, বাক্ষ্রনবাড়ীয়ার প্রকৌশলী ওসমান গনী, যশোরের শেখ আবদুল কাইয়ূম, বাগেরহাটের এস.এইচ খান আসাদ ও শেখ এ সবুর, লক্ষ্মীপুরের এ্যাড. জসীম উদ্দিন, ঝালকাঠির আবু সাইদ মোল্লা, পটুয়াখালীর মশিউর রহমান কায়েশ, পিরোজপুরের এ্যাড. হাবিবুর রহমান, চট্টগ্রামের মুর্তোজা আলী চৌধুরী ও কাজী নাজমুল হাসান সেলিম, সিলেটের আনোয়ার উদ্দিন বোরহানাবাদী, সুনামগঞ্জের আনসার খান, সাতক্ষীরার নুরুল হক, বরগুনার মিয়া মোঃ আল আমিন,কুড়িগ্রামের খাইরুল আলম ও নারায়ণগঞ্জের ওয়াহিদুজ্জামান অন্যতম।

কাউন্সিলরবৃন্দ নবনির্বাচিত সভাপতি ও মহাসচিবকে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সাথে পরামর্শক্রমে অনতিবিলম্বে পুর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করার দায়িত্ব অর্পণ করে অভিনন্দিত করেন। নির্বাচন পূর্ব রাজনীতির এই অস্থির সময়ে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের নব নির্বাচিত কমিটি দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সকলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।