
খোন্দকার জিল্লুর রহমান
উত্তরায় গৃহকর্মী মোহনাকে নির্যাতনর ঘটনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এমডি ও তার স্ত্রীসহ গ্রেফতার হওয়া নিঃসন্দেহে একটি সাহসী ও আশাব্যঞ্জক পদক্ষেপ। তিনি হলেন শফিকুর রহমান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বিথীর বিরুদ্ধে ১১ বছর বয়সী এক শিশু গৃহকর্মীকে ভয়াবহ শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। দারিদ্র্যের কারণে শিশুটিকে তাদের বাসায় গৃহপরিচারিকা হিসেবে কাজ করতে হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, সামান্য ভুল হলেই তাকে মারধর করা হতো। এমনকি গরম খুন্তির ছ্যাঁকা দেওয়ার মতো নির্মম নির্যাতনও করা হয়েছে। শিশুটির অবস্থা গুরুতর হওয়ার আগেই পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে শফিকুর রহমান, তার স্ত্রীসহ মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। আইন সবার জন্য সমান—এই বিশ্বাস এবং ন ির্বরতাই আমরা দেখতে চাই বাস্তবে।
তবে প্রশ্ন থেকে যায়—এই ঘটনার কি সত্যিই সুষ্ঠু তদন্ত হবে কি?
গৃহকর্মী মোহনা কি ন্যায়বিচার পাবে? নাকি প্রভাবশালীদের ক্ষমতার কাছে আবারও হার মানবে সত্য? এই অমানবিক নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিশু এমন নির্যাতনের শিকার না হয়।মানুষরূপী এই পাষণ্ডদের মুখোশ জাতির সামনে উন্মোচনের জন্য
আমরা সাধারণ জনগণ কোনো পক্ষপাত নয়, চাই ন্যায্য ও স্বচ্ছ বিচার। যেন ভবিষ্যতে আর কোনো মোহনার ওপর এমন নির্মম নির্যাতন নেমে না আসে।
একজন গৃহকর্মীও মানুষ তারও সম্মান, নিরাপত্তা ও ন্যায্য অধিকার আছে। ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক, দোষীরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।



















