দিল্লির তাবেদারি নয়, চোখে চোখ রেখে কথা বলবে ঢাকা —-মুসলিম লীগ

অর্থনীতির ৩০ দিন সংবাদ :
১৮৯৫ সাল হতে তাই প্রতি বছর একাধিক দাঙ্গা সৃষ্টি করে সংখ্যালঘু মুসলিমদের হত্যা করছে ভারতের বর্ণবাদী হিন্দুরা ১৯৪৭ সালের ১৬ আগস্ট গ্রেট কলকাতা কিলিং সেপ্টেম্বর মাসে বিহার গণহত্যা ২০০১ সালে গুজরাট রাজ্যের গণহত্যা সর্বাধিক আলোচিত। মুসলিম লীগ ব্রিটিশ ভারত ভাগ করার পর হতে ধর্মনিরপেক্ষতার লেবাস পড়ে অসংখ্য মসজিদ ধ্বংস করে তদস্তলের মন্দির তৈরি করেছে। এগুলোর মধ্যে ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ অন্যতম। অনেক রাজ্যে আযান দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে। অতি সম্প্রতি আজমিরে স্থগিত খাজা মইনুদ্দিন চিশতির হাজার বছরের মাজার ও মসজিদ ভেঙে মন্দির করার প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছে সরকারের মদদ পুষ্টরা। হিন্দুদের দেবতার রূপে পুজিত গরুর গোস্ত রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম স্থানে থাকা ভারত গরুর গোশত খাওয়ার অভিযোগে বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিবছর শতাধিক মুসলিমকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্য নাথের পৃষ্ঠপোষকতায় উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন শহরে সংখ্যালঘু মুসলিমদের বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করে তাদেরকে উচ্ছেদ করছে। প্রতিবাদী শতশত মুসলিমকে হত্যা করতে কুণ্ঠাবোধ করছে না।
১০ ডিসেম্বর ২০২৪ মঙ্গলবার বিকাল তিনটায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মুসলিম লীগ আয়োজিত হিন্দুস্তানে অব্যাহতভাবে মুসলিম হত্যা ও বিভিন্ন স্থানে মসজিদ ভাঙ্গার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে দলীয় নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত সত্য ঘটনাগুলো উল্লেখ করেন। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন: ভারতের বর্ণবাদী হিন্দুরা শত বছর ধরে অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতন চালিয়ে সংখ্যালঘু মুসলিমদেরকে ইচ্ছামত হত্যা করছে এবং বিভিন্ন মসজিদ ভেঙে ফেলেছে তারপরও বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা অত্যাচারিত হচ্ছে বলে উদ্দেশ্যপ্রণীত অভিযোগ করে নিজেদের সাম্প্রদায়িক চরিত্র আড়াল করার ব্যর্থ চেষ্টা করছে। ধর্ম বিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে কোন অমুসলিমকে অপমান পর্যন্ত করতে পারে না কোন মুসলমান। নিজেদের অনুগৃহীত প্রধানমন্ত্রী বসিয়ে ১৫ বছর ধরে দিল্লির সম্প্রসারণবাদি শাসকরা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উপর আধিপত্য ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে রেখেছিল। ৫ আগস্ট দিল্লির গোলামির যে জিংগির ছাত্র জনতা ছিন্ন করেছে তা আর কখনো জোড়া লাগানো যাবে না। এরপর হতে দিল্লির চোখে চোখ রেখে সমমর্যাদা নিয়ে কথা বলবে ঢাকা। তা হজম করতে না পারলে আড়ালে আবডালে অশ্রুপাত করতে পারেন ভারতের হিন্দুত্ববাদী নেতারা।
নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আজিজ হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আতিকুল ইসলাম ও আনোয়ার হোসেন আবুড়ী, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম ও এডভোকেট আফতাব হোসেন মোল্লা, অতিরিক্ত মহাসচিব আকবর হোসেন পাঠান, সাংগঠনিক সম্পাদক খান আসাদ,দফতর
সম্পাদক, খোন্দকার জিল্লুর রহমান, ছাত্রনেতা মোঃ নূর আলম ও মোঃ নুরুজ্জামান প্রমুখ।