
কলমেঃ খোন্দকার জিল্লুর রহমান-
তারিখ : ১৫/০৮/২০২২
বিচিত্র এই জীবন চলা লাগামহীন ঘোড় দৌড়ে দৌড়াচ্ছে,
কেউ পেয়েছে সুখের চাবি কারোর হতাশায় জীবন কাটছে।
কারোর পাজেরো গাড়ি লুকিয়ে গিয়ে থামছে নিষিদ্ধ পল্লিতে,
দামি খাটে কেউ হাহাকারে রাত কাটাচ্ছে সঙ্গীহীন একাকিত্বে।
ভাঙ্গাঘরে জীবন চালিয়ে কারোর মনে মনে স্বপ্নের ছবি আঁকা,
চন্দনের পালঙ্কে শুয়েও কারো কারোর দু:স্বপ্নে রাত জাগা।
কেউ সম্পর্কের মুল্যায়নে আদর্শ জীবনের যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে,
আবার কেউ ডিভোর্স পেপারে সাইন করে দ্বায় মুক্তি চাচ্ছে।
মৃৃদুপায়ে চলে কেউ মনে মনে বলে সন্তানগুলোতো হয়েছে মানুষ,
দামি গাড়িতে বসে চিন্তিত মনে বলে, কেন হয়েছে সন্তান অমানুষ।
ডাষ্টবিনে ফেলে অবাঞ্চিত সন্তান বলে কোন মা পেয়েছে মুক্তির স্বাধ,
লোক জানাজানি হলে অবৈধ সন্তান বলে শুনতে হবে অপবাদ।
জ্ঞান অম্নেষনে ফুটপাতের দোকানে কেউ খুঁজে বেড়ায় পুরোনো বই,
সারি সারি সাজে নতুন বইয়ের স্তুপ রেখেও পড়ার বুঝি নেই কেউ।
লাখ টাকার টেবিলে হরেকরকম খাবার সাজিয়ে খেতে পারেনা শান্তিতে,
কাঁচা লঙ্কা দিয়ে পেয়াঁজ কচলিয়ে কেউ বাসি পান্তা খায় পরম তৃপ্তিতে।
লোভ-লালসায় খুন করেও কেউ ঠান্ডা মাথায় নেয় জিগাংসার প্রতিশোধ,
অবিচার সয়েও ক্ষমা করে দিয়ে কউে কেউ করেনা আখেরের পথ রোধ।
বাবা-মাকে কেহ বৃদ্ধাশ্রমে রাখার বিনিময়ে নিজে নিজে খোজে দ্বায়মুক্তি,
কেহ কেহ আবার সেবা করেও বলে, দিতে পারিনাই শেষ জীবনের তৃপ্তি।
সুখ খুঁজে খুঁজে অতৃপ্ত বেদনার মাঝে মানবতাকে করে রাখে বহুদুর,
তবুও মানুষের হয়নাকো হুস আরো বেশি পাবার আশায় থাকে বিভোর।
সত্যিই বিচিত্র মানুষ বিচিত্র জীবন বিচিত্র স্বপ্নে থাকে পরিপাটি,
সবকিছুই পরিহার করে একসময় যখন স্থান হয় সাড়ে তিন হাত মাটি।
সমাপ্ত












