
নিজস্ব প্রতিবেদক :
সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে পথ পদত্যাগ করে সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে লজ্জাহীন ভাবে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে জাতীয় কবিতা পরিষদ পুনর্গঠন করার নাম করে অন্যান্য কবি সাহিত্যিকদের মতামত ছাড়াই কবি মোহন রায়হানকে আহ্বায়ক ও রেজাউদ্দিন স্টালিনকে সদস্য সচিব করে ২৫ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করতে গিয়েই যত বিপত্তি বাদে ।
স্বঘোষিত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- আবু সালেহ, মতিন বৈরাগী, হাসান হাফিজ, ড. সলিমুল্লাহ খান, গোলাম শফিক, শাহীন রেজা, ইরাজ আহমেদ, কামরুল হাসান, জাহানারা পারভীন, ড. কুদরত-ই-খোদা, শ্যামল জাকারিয়া, ড. মানব সুরত, শওকত হোসেন, নূরুন্নবী সোহেল, এবিএম সোহেল রশীদ, রোকন জহুর, সুমনা নাজনীন, কামরুজ্জামান, লুৎফুল বাবু, আসাদ কাজল, আলমগীর নিষাদ, ইমরান মাহফুজ ও সীমা ইসলাম।
তাদের পক্ষ থেকে আজ ২০ আগষ্ট, রোজ মঙ্গলবার, সকাল ১১ঃ০০ ঘটিকার সময়, জাতীয় রিপোটার্স ইউনিটির – সাগর রুনি ভবনের ২য় তলায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রাকৃতজ কবি শামীম রুমি টিটন এর নেতৃত্বে, কবি ও সংগঠক- আর. মজিব, কবি ও সংগঠক- এম এ আলীম, কবি ও সংগঠক- খোন্দকার জিল্লুর রহমান, কবি ও সংগঠক- মোঃ সোলায়মান, কবি ও সংগঠক- সাইফ সাদী, কবি ও সংগঠক, এইচ এম শাহরিয়ার কবির, কবি মোঃ দুলাল ভূঁইয়া সহ আরো অনেকে উপস্থিত হয়ে
সারা বাংলাদেশথেক আসা সাধারণ কবিদের পক্ষে কিছু যৌক্তিক দাবী উপস্থাপন করা হয় প্রথমে কথা বলেন খোন্দকার জিল্লুর রহমান, দ্বিতীয়ত আর. মজিব তারপর কথা বলেন প্রাকৃতজ শামীম রুমি টিটন মহোদয়।
সকলের যৌক্তিক দাবীগুলো হলো-
০১। বৈষম্য চাই না, সকল কবি-লেখকদের বাকস্বাধীনতা দিন,
০২। ৬৪ জেলায় কবি-লেখকদের প্রতিনিধিত্ব দিন, ০৩। অণ্তত ১০,০০০ (দশহাজার) কবি ও লেখককে সদস্য পদ দিন।
দেশের সকল অবহেলিত কবি-লেখক ও সাহিত্য-সমাজের পক্ষ থেকে এই স্বঘোষিত ‘জাতীয় কবিতা পরিষদ’র যৌক্তিক প্রতিবাদ করায় , তারা তাদের অতীতের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সন্ত্রাসী কায়দায় আক্রমণ চালিয়ে আমাদের বাকস্বাধীনতা রুদ্ধ করে, কথা বলতে দেয়নি। বরং প্রাকৃতজ শামীম রুমি টিটন সহ সকলকে বকা বকি করে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়। কয়েকজন উগ্রবাদী কবি সন্ত্রাসী কায়দায় আমাদের উপর হামলা করে। (ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগে দেয় আছে)

বাংলার কবিসমাজের কাছে বিচার চাই, বলুন কী আমাদের অন্যায়? আমরা তো কোন পদ পদবী চাই নাই, কবিদের অধিকার চেয়েছি। তীব্র প্রতিবাদ জানাই, ঘৃণা জানাই এবং ‘দখলদারমুক্ত জাতীয় কবিতা পরিষদ চাই’।
তাই আজকের (২০আগষ্ট ২০২৪ মঙ্গলবার) এর করা স্বঘোষিত জাতীয় কবিতা পরিষদের সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল কবি সাহিত্যিকদের আবেগ নিয়ে আবমুল্যায়ন করা হয়েছে। এরা সম্প্রতি পালিয়ে যাওয়ার স্বৈরাচারী সরকারের দোসর এবং চামচামি করায় লিপ্ত ছিল। সরকার পালিয়ে যাবার পর রাতারাতি বোল পাল্টিয়ে নিজেদের বাঁচানোর জন্য শুদ্ধ সেজেছে, তাদেরকে আপনার চিহ্নিত করে রাখুন জাতি তাদেরকে চিহ্নিত করে রাখবে।
তাই স্বৈরাচারী পদ্ধতিতে এই স্বঘোষিত আহ্বায়ক কমিটিকে বাংলাদেশের সকল কবি সাহিত্যিকদের পক্ষ থেকে অবৈধ ঘোষণা করে প্রত্যাখ্যান করা হলো।












