
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আইন সৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আপত্তির মোখে হোমল্যান্ড লাইফের প্রধান কার্যালয়ের তালা ভেঙে লাঠিয়াল বাহিনীর মাধ্যমে অফিস দখলে নিয়েছেন স্বয়ং কোম্পানির শেয়ার জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের হোতা পরিচালক-কর্মকর্তারা। ২৯ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে এল্লাল চেম্বারে হোমল্যান্ড লাইফের প্রধান কার্যালয়ে ।
উচ্ছ আদালতের রায় থাকলেও ২৮ এপ্রিল ২০২৫ সোমবার হোমল্যান্ড লাইফের প্রধান কার্যালয়ে ঢুকে চেয়ারম্যানের লাঠিয়াল বাহিনী ও সম্পৃক্ত কিছু মাঠকর্মী জোরপূর্বক কোম্পানির ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালককে কোম্পানির অফিস থেকে বের করে দেয় । সামাজিক যোগাযোগ এবং অনলাইন ও বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় দু’দিনের ঘটনাই প্রকাশিত হয়।
সরাসরি ভিডিওতে দেখা যায়, ২৯ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরে হোমল্যান্ড লাইফের চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আসেন, তখন সেখানে মতিঝিল থানার পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতে জামাল উদ্দিন কোম্পানিটির প্রধান কার্যালয়ের তালা ভাঙার ব্রবস্থা করেন, পুলিশ সদস্যদের আপত্তি জানিয়ে বলেন আলোচনার মাধ্যমে মীমাংসা করে অফিসে প্রবেশের। কিন্তু এই পরামর্শে চেয়ারম্যানে জামাল উদ্দিন কর্ণপাত না করে উল্টো তিনি পুলিশের সদস্যদের চলে যেতে বলেন। পুলিশের পক্ষ থেকে আবারও জামাল উদ্দিন ও তার দলবলকে নিচে নেমে যেতে বলা হলেও তা করেন নি।
এরপর পুলিশ সদস্যরা নিচে নেমে গেলে জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে তালা ভাঙে লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে তিনি অফিসে প্রবেশ করেন। পরে কোম্পানির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহাদাত হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব প্রদান করেন। একইসঙ্গে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব মার্কেটিং পদে বসানো হয় জাকির হোসেনকে।
জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে কোম্পানিটির বোর্ডের অনুমোদন ছাড়াই শাহাদাত হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহীর দায়িত্ব দেয়া হয় ।
এসময় হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিনের সঙ্গে ছিলেন কোম্পানির পরিচালক ফয়জুল হক, মো. কামাল মিয়া, আব্দুল হাই এবং জামাল মিয়া। তালা ভেঙ্গে অফিসে প্রবেশ করা এসব পরিচালকের মধ্যে ফয়জুল হকের বিরুদ্ধে কোম্পানির অর্থ আত্মসাৎ এবং বাকীদের বিরুদ্ধে শেয়ার সার্টিফিকেট জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে বহু পুর্ব থেকেই। এই অর্থ আত্মসাৎ এবং শেয়ার সার্টিফিকেট কেলেঙ্কারীর ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য কোম্পানির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে জামাল উদ্দিন ও তার লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে অবৈধভাবে তালা ভেঙে হোমল্যান্ড লাইফের প্রধান কার্যালয় দখলে নেন বলে প্রতিষ্ঠানটির একাধিক সূত্র অভিযোগ করেছেন ।
এর আগে সোমবার (২৮ এপ্রিল) হোমল্যান্ড লাইফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (মার্কেটিং) লুৎফুন্নাহার আলোর চেম্বারে ১০-১৫ জন মহিলা ঢুকে তারা নিজেদের হোমল্যান্ডের মাঠকর্মী ও কর্মকর্তা হিসেবে দাবি করে চিল্লাপাল্লা ও ফিজিক্যাল টর্চার করেন এবং দাবি করেন- কোম্পানির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মতিন ও লুৎফুন নাহার আলো গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ না করে সারাদেশের ব্রাঞ্চ অফিসগুলো বন্ধ করে দিয়েছে এবং আবদুল মতিন ও লুৎফুন নাহার আলোর নেতৃত্বে হোমল্যান্ড লাইফের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ হচ্ছে বলেও তারা অভিযোগ করেন। একপর্যায়ে লুৎফুন নাহার আলোকে তার চেম্বার থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। কিন্তু লুৎফুন নাহার আলো বের না হলে তারা ধাক্কাধাক্কি ও কিল ঘুষি মারেন, যার কারনে লুৎফুন নাহার আলো জ্ঞান হারিয়ে চেয়ার থেকে পড়ে যান।
এ ঘটনায় মতিঝিল থানায় পৃথক দু’টি সাধারণ ডায়েরি করেছেন ডিএমডি লুৎফুন নাহার আলো এবং কোম্পানিটির আইন কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম। ঘটনার দিন-ই (২৯ এপ্রিল) এসব সাধারণ ডায়েরি করা হয়। অপরদিকে বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ’কে ঘটনা অবহিত করে চিঠি দেন কোম্পানিটির চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন। একইদিনে (২৯ এপ্রিল) তিনি কর্তৃপক্ষকে এই চিঠি দেন। উল্লেখ্য, এর আগে ১৩ ফেব্রুয়ারি হোমল্যান্ড লাইফের ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মতিনকে অব্যাহতি দিয়ে চিঠি দেন কোম্পানির চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন। তার আগের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি আরেক পত্রে কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (বিপণন) লুৎফুন নাহার আলোকেও চাকরি হতে অব্যাহতি দেন।
এই অব্যাহতির আদেশ চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট মামলা দায়ের করেন আবদুল মতিন, যার নম্বর- ৫৬৫৬/২০২৫। রিটের শুনানি শেষে আদালত হোমল্যান্ড লাইফ চেয়ারম্যানের দেয়া অব্যাহতির আদেশ কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। গত ২৭ মার্চ ৪ সপ্তাহের জন্য এই রুল জারি করেন আদালত।
এব্যপারে আবদুল মতিন অর্থনীতির ৩০ দিনকে বলেন, আমাকে পরিচালনা পর্ষদ নিয়োগ দিয়েছে, কিন্তু পর্ষদের সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করে চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন আমাকে অবৈধভাবে ও একক ক্ষমতায় বহিস্কার করেন। বিষয়টি নিয়ে আমি আদালতে রিট মামলা করেছি। আদালত রুল জারি করেছেন। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। এই অবস্থাতেও জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে তার লোকজন আমাকে অফিসের কাজে বাধা দেয়, জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে আমি অফিস ত্যাগ করতে বাধ্য হই।
রিটকারীর আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রেজাউল করিম রেজা এ বিষয়ে বলেন, হোমল্যান্ড লাইফের ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মতিনের বহিস্কারাদেশের বিষয়ে আদালত রুল জারি করেছেন। কিন্তু বিবাদীপক্ষ এখনো রুলের জবাব দেয়নি। আইনত আদালতে বিচারাধীন কোন মামলার নিষ্পত্তি না করেই সে বিষয়ে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করার সুযোগ নেই, এমনকি তার অফিসিয়াল কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টি করা বা অফিস থেকে বের করে দেয়ারও সুযোগ নেই, এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, অফিস দখলের নেতৃত্বে ছিলেন শেয়ার সার্টিফিকেট জালিয়াতিতে অভিযুক্ত ৫ জনের মধ্যে চেয়ারম্যানসহ ৪ পরিচালক:
চেয়ারম্যানসহ ৫ পরিচালকের বিরুদ্ধে শেয়ার সার্টিফিকেট জালিয়াতির অভিযোগ :
হোমল্যান্ড লাইফের বর্তমান চেয়ারম্যানসহ ৫ পরিচালকের বিরুদ্ধে কোম্পানিটির শেয়ার সার্টিফিকেট জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। এই জাল সার্টিফিকেট দিয়েই ১৭ বছর ধরে তারা কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদে রয়েছেন। ভোগ করছেন কোম্পানির নানান আর্থিক সুবিধা। শেয়ার সার্টিফিকেট জালিয়াতিতে অভিযুক্ত লন্ডন প্রবাসী এই ৫ পরিচালক হলেন- চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন, আবদুল হাই, আবদুল আহাদ, জামাল মিয়া এবং কামাল মিয়া। গতকাল (২৯ এপ্রিল) বীমা কোম্পানিটির প্রধান কার্যালয় দখলের সময় ওই ৫ পরিচালকের ৪ জনই উপস্থিত ছিলেন। এত কিছুর পরেও হোমল্যান্ড লাইফের বর্তমান চেয়ারম্যানের সেচ্চাচারিতা কোনকিছুতেই রোধ করা যাচ্ছে না। চেয়ারম্যান জামালউদ্দিন কোন আইন কানুন না মেনে যেন এককভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। তিনি একদিকে যেমন উচ্চআদলতকে অবমাননা করছেন অপরদিকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ’কে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে এবং বীমা আইন অমান্য করে একক সিদ্ধান্তে সন্ত্রাসী কায়দায় অফিস দখল করে নেন। এ ব্যপারে নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ হোমল্যান্ড লাইফের চেয়ারম্যান জামালউদ্দিনের বিরুদ্ধে কোন আইনি পদক্ষপ নিয়েছেন কিনা বা নিবেন কিনা, কিছুই জানা যায় নাই। চেয়ারম্যানের এহেন কর্মকান্ডে আইডিআরএ এর নিরবতা বীমা গ্রাহকদের নিকট আইডিআরএ কে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে বলে খাত সংশ্লিষ্ট অনেকে মন্তব্য করেন।
হোমল্যান্ড লাইফের এই ৫ পরিচালক বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিকট তাদের শেয়ারের জাল সার্টিফিকেটের বিপরিতে প্রকৃত সার্টিফিকেটের বৈধতার প্রমাণ দিতে পারেননি। গত বছরের ৮ মে আইডিআরএ’র চেয়ারম্যানের কাছে হোমল্যান্ড লাইফের প্রবাসী ৫ পরিচালকের শেয়ার সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে তদন্ত দল। এই ৫ পরিচালকের সবগুলো শেয়ার আইসিবি ইসলামী ব্যাংক (সাবেক ওরিয়েন্টাল ব্যাংক)- এ বন্ধক রেখে ঋণ নিয়েছিলেন হোমল্যান্ড লাইফের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কাজী এনাম উদ্দিন আহমেদ। এর প্রেক্ষিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ।
৯৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পরিচালক ফয়জুল হকের বিরুদ্ধে:
অভিযোগ রয়েছে হোমল্যান্ড লাইফের ৩০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান পরিচালক ফয়জুল হক। এ ঘটনায় কোম্পানিটির সাবেক মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা শারাফাত উল্লাহ ঢালী মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন ফয়জুল হকের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেয়ার শর্তে হোমল্যান্ড লাইফ মামলা তুলে নিলেও কোন টাকা ফেরত দেননি হোমল্যান্ডের বর্তমান পরিচালক ফয়জুল হক।
সুত্রের খবর, ২০০৯ সালে ফয়জুল হক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান থাকা কালে কমিশন ও সার্ভিসিং সেন্টারের নামে ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে। মোট প্রিমিয়াম আয়ের ওপর অবৈধভাবে জাকির হোসেন নামে এক কর্মকর্তাকে ১ শতাংশ হারে কমিশন দেয়ার নামে এ টাকা আত্মসাৎ করার প্রমাণ মিলেছে। অর্থ আত্মসাতে অভিযুক্ত ফয়জুল হকও ২৯ এপ্রিল মঙ্গলবার উপস্থিত ছিলেন হোমল্যান্ডের প্রধান কার্যালয় দখলের সময় ।
জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ৯৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ:
হোমল্যান্ড লাইফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব মার্কেটিং পদে নিয়োগ দেয়া জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় একটি মামলা রয়েছে। মামলা নম্বর ১৮(১)১১। মামলাটি উচ্চ আদালতে আদেশের অপেক্ষায় আছে। এই মামলায় তার বিরুদ্ধে হোমল্যান্ড লাইফের ৮৫ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। অপর একটি মামলায় জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ৭ লাখ ৩৬ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। এই মামলা করা হয় কোতয়ালী থানায়। মামলা নং ০১(০১)১১।
সুত্র থেকে জানা যায়, জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন মো. আবু ইউসুফ ও মো. ইরফানুল হক নামে বীমা কোম্পানিটির ২ কর্মকর্তা। তারা জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে বিশৃংখলা সৃষ্টির অভিযোগ করে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ৯৩ লাখ টাকা আত্মসাতকারী উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব মার্কেটিং জাকির হোসেনকেও হোমল্যান্ড লাইফের প্রধান কার্যালয় দখলের নেতৃত্বে দেখা যায়।
গ্রাহকদের ১০৪ কোটি টাকা আত্মসাতে দুদকে মামলা:
২০০২ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত হোমল্যান্ড লাইফে ১০৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ হয়,যার সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন কোম্পানির পরিচালকরাই। এ কারণে সুনির্দিষ্ট প্রমাণাদি থাকার পরও এখন পর্যন্ত আত্মসাতে জড়িতদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি এবং আত্মসাতকৃত টাকা কোম্পানির ফান্ডে ফেরত আনারও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। উল্টো গ্রাহকদের জমাকৃত ১০৪ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা ও ৫ পরিচালকের শেয়ার সার্টিফিকেট জালিয়াতির কেলেঙ্কারী ধামাচাপা দিতে সিলেটে বোর্ডসভাসহ অন্যান্য সভা করার পাঁয়তারা এবং ঘনিষ্ঠ লোকজনকে কোম্পানির শীর্ষ পদগুলোতে বসাতে অব্যাহতি দেয়া হয় এসব অনিয়মের ঘটনা তদন্তে সহায়তাকারী কর্মকর্তাদের।
হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসারে ২০২৩ সালে হোমল্যান্ড লাইফের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা অনুসন্ধানে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) । তবে এই তদন্তে বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগ তুলেছেন দুদক কর্মকর্তারা। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)’কে পাঠানো দুদকের একটি চিঠিতে এই অভিযোগ করা হয়।
চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিনের ভাষ্য:
এসব বিষয়ে বক্তব্য জানতে হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান মো. জামাল উদ্দিনের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তাকে পাওয়া যায়নি।
হোমল্যান্ড লাইফের নতুন ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, আবদুল মতিন কোম্পানির ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী ছিলেন। কোম্পানির বোর্ড চেয়ারম্যান বিশেষ ক্ষমতাবলে তাকে নিয়োগ দিয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধেঅভিযোগে কোম্পানির চেয়ারম্যান তাকে বহিস্কার করেছেন। এই বহিস্কারাদেশ নিয়ে আবদুল মতিন হাইকোর্টে রিট করেছেন।












