
খোন্দকার জিল্লুর রহমান :
গ্রীষ্মকালে প্রথম যেদিন গিয়েছিলাম তোমার কাছে
চোখ রাঙ্গিয়ে ফিরিয়ে দিলে দারুন রোদ্র রোশে,
মনে মনে ভাবছি তখন বৈশাখ-জৈষ্টে গরম বেশী হয়
হৃদয়ের কথাগুলো খুলে বলার এখন সৃজন নয়।
বর্ষাকালে গিয়েছিলাম যখন কাক বৃষ্টিতে ভিজে
দরজা থেকে বিদায় দিলে বললে এখন আসা মিছে,
শান্ত মনে ফিরে এলাম আষাড়-শ্রাবনে কথা বলা যায়না
নিজে নিজেই বুঝে গেলাম বৃষ্টিভিজে প্রেম কখনো হয় না।
শরতকালে গিয়েছিলাম আবার ঝড়-বৃষ্টিসব মাথায় করে
ঝাঁমটি মেরে বললে আমায় ঝড়-বৃষ্টিতে কেউ আসনা ঘরে,
এবার না হয় ফিরে এলাম বৃষ্টি-বাদল আর ভিষন ঝড়ে
নিজেকে নিজে বুঝিয়ে নিলাম প্রেমের সৃজন অনেক পরে।

হেমন্তের ভোরে গিয়েছিলাম যখন শিশির ভেজা পায়
মেজাজ দেখিয়ে বলে দিলে বুদ্ধি নেই যে তোমার মাথায়,
বুঝতে গিয়ে আনেকটা সময় দ্রুত গতিতে পার হয়,
শুন্য মনে ফিরে এসে যেন মনে হল এটা আমার কাজ নয়।
শীতের মাঝে হাঁড় কাঁপিয়ে গিয়েছিলাম রাতের বেলা
লেপমুড়ি দিয়ে ঘুমিয়ে গেলে গেটে লাগিয়ে লোহার তালা,
কনকনে শীত উপেক্ষা করে যখন ফিরে এলাম বাড়ী
অনে ক সময় পেরিয়ে গেল আর সাদা হল চুল-দাড়ি।
বসন্তে ঐ চঞ্চলা হয়ে যখন এসেছি তোমার বাড়ী
তুমি তখন রোমান্টিক জুটিতে দিয়েছ অন্য নায়ে পাড়ি,
বহু বসন্ত কেটে গেল মোর হয়নি তোমাকে খুজে পাওয়া
এমনি করে জীবনে একদিন হবে শেষ গন্তব্যে চলে যাওয়া।












