
ছবিতে বাম দিক থেকে তৃতীয় যশোর ৪ আসনের সাবেক এমপি এনামুল হক বাবুল, দ্বিতীয়জন বনানীর হাইব্রিড আওয়ামী ডোনার, অগ্রনী ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান কাজী সাখাওয়াত হোসেন লিন্টু, ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ…
বিশেষ রিপোর্ট :
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের এক বা দুই নয় শত কোটি টাকা লুটপাটের এক অবিশেষ্য কাহিনী চোখের সামনে জেগে উঠেছে, যা ফিলমি বা রূপকথার কাহিনীকেও হার মানায়। বিশেষ সূত্রের থবর মোতাবেক জানা যায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র, যিনি সম্প্রতি পলাতক সরকারের ভোটার বিহীন স্বঘোসিত সংসদ সদস্য পদ ছেড়ে একই পদ্ধতিতে হওয়া সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস(পলাতক), যশোর ৪ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ সদস্য এনামুল হক বাবুল ও তার শ্যালক বনানীর হাইব্রিড আওয়ামী আদম ব্যবসায়ী এবং অগ্রনী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর চেয়ারম্যান কাজী সাখাওয়াত হোসেন লিন্টু গং একত্রে মিলেমিশে সায়দাবাদ জনপদ মোড়ে এমসিও ট্রেডিং লিমিটেড নামক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শতকোটি টাকা লুটপাট খবর বেরিয়ে এসেছে বলে প্রমান পাওয়া যায়। একই সাথে তিতাস গ্যাসের একশ্রেণীর কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসাজশে মিটার টেম্পারিং করে কোটি কোটি টাকাও লুটপাট করে আঙ্গুল পুলে কলাগাছ হয়েছে। ঘটনাস্থান সায়দাবাদ জনপদ মোড়ে অবস্থিত সিএনজি গ্যাস স্টেশন, যার মূল মালিক অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য, তার স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য সেলিনা শহীদ, চৌধুরী মনিরুল ইসলাম ও কাজী সাখাওয়াত হোসেন লিন্টু যিনি যশোর ৪ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক বাবুলের আপন শ্যালক। চৌধুরী মনিরুল ইসলাম সহ অন্যান্য পার্টনাররা বিএনপি দলীয় হওয়ায় কাজী সাখাওয়াত হোসেন লিন্টু তার ভগ্নিপতি এনামুল হক বাবুল এমপি হাসিনা সরকারের প্রভাব কাজে খাটিয়ে মার পিটে যখম করে ও বিভিন্ন মামলা-মোকদ্দমায় হেস্ত ন্যাস্ত করার মাধ্যমে শেয়ার হোল্ডারদের বের করে দেন একই সাথে শেখ ফজলে নূর তাপসের সহযোগিতায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনর তালিকাভুক্ত ঠিকাদারি প্রতারক প্রতিষ্ঠান গুড উইল এনার্জি লিমিটেড ও এমসিও ট্রেডিং লিমিটেড এর মাধ্যমে কাগজে-কলমে সিটি কর্পোরেশনের সকল যানবাহনের গ্যাস ফিলিং না করে ভুয়া গ্যাস সরবরাহ রশিদ তৈরী করে করে তা দেখিয়ে প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে যেত।
এসব কাগজ পত্রের বেশকিছু কপি হাতে আসার পর অর্থনীতির ৩০ দিন’র এক অনুসন্ধানে দেখা যায় গুড উইল এনার্জি লিমিটেডের মালিক চৌধুরী কামরুল ইসলাম ও তাপস দেবনাথ প্রিমিয়ার ব্যাংক বারিধারা শাখার মাধ্যমে ভুয়া একাউন্টের মাধ্যমে লুটপাটের এই লেনদেন পরিচালনা করতেন একই সাথে শেখ হাসিনার সরকার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রাম দমনে বিশেষ করে জুলাই আগস্টের ছাত্র আন্দোলন প্রতিহত করতে যাত্রাবাড়ী এলাকায় চৌধুরী কামরুল ইসলাম যিনি ৪৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও তাপস দেবনাথের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সন্ত্রাসীদের মাঝে অর্থ সহায়তাসহ বিভিন্ন অনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতেন।
এখনো দোর্দন্ড দাপটের সাথে তাদের এই চক্রটি ছাত্র জনতার রক্ত দিয়ে গঠিত ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস এর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে প্রোভাগান্ডা ছড়িয়ে এবং নানা রকম অনৈতিক কাজের মাধ্যমে উৎখাতের গোপন ষড়ন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
এটা হল গুড উইল নামক কাগজই প্রতিষ্ঠান কে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২০১৭ সালের পর থেকে ৪০ কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে
আরো বিস্তারিত আসছে ধারাবাহিক ২য় এবং ৩য় পর্বে…











