আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সরাসরি নজরদারিতে আসছে মোবাইল ব্যাংকিং

৩০ দিন প্রতিবেদক :
মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সংগঠিত অপরাধ রোধে এ সব কোম্পানির ডাটাবেইজ পর্যবেক্ষণ করবে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী। এ জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ডাটাবেইজে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করছে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থমন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। আইন শৃঙ্খলা সম্পর্কিত টাস্ক ফোর্সের বৈঠকে এ ব্যাপারে আলোচনা হয়।
২৮ ফেব্রুয়ারি টাস্কফোর্সের ৪র্থ সভায় বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি আমির হোসেন আমু। সভায় আলোচনা শেষে এ সম্পর্কিত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গত সপ্তাহে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়। সভায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ডাটাবেইজ এ আইন শৃঙ্খলা বাহিরীর প্রবেশাধিকার থাকতে হবে যাতে প্রকৃত লেনদেনকারীদের সনাক্ত করা যায়। কুরিযার সার্ভিস এর মাধ্যমে অর্থ লেনদেন বন্ধেও বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করার বিষয়ে আলোচনা করা হয় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে।
বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি এ ব্যাপারে বলেন, মোবাইল ব্যাংকিং সংক্রান্ত নীতিমালা থাকলেও মাঠ পর্যায়ে তা যথাযতভাবে প্রতিপালিত হচ্ছে না। একজন এজেন্ট একাধিক সীম ব্যবহার করে অবৈধভাবে কিছু একাউন্ট পরিচালনা করছে। সঠিকভাবে রেজিস্টার সংরক্ষন না করায় তদারকি কার্যক্রমে জটিলতা সম্মুখিন হতে হচ্ছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয় একাধিক সীমের মাধ্যমে লেনদেন হলে তা সনাক্ত করা কঠিন হচ্ছে। চোরা কারবারিরা স্বর্ণ চোরা চালানের কাজেও মোবাইর ব্যাংকিং ব্যবহার করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয় অন্য এক আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে।
মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এ ধরনের অপরাধ রোধে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সতর্কীকরণ নোটিশ দেওয়ার পরামর্শ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অবৈধ লেনদেনের সাথে জড়িত এজেন্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি মত দেন। এ সভার সিদ্ধান্তের আলোকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ডাটা বেইজ পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থমন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়।