
রাজনৈতিক সভায় নিষেধাজ্ঞা আংশিক জরুরী অবস্থা জারীর শামিল
অর্থনীতির ৩০ দিন সংবাদ :
বর্তমান বিশ্বে আগ্রাসন-বাদীদের লক্ষ্যবস্তু মুসলমান জাতি এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের ভূমি ও সম্পদ। একটি মুসলিম প্রধান দেশ হিসাবে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশও আগ্রাসন বাদীদের শকুনি চোখ থেকে মুক্ত একথা বলার অবকাশ নেই। চলমান বিশ্ব অগ্রযাত্রায় দেশকে সমান তালে এগিয়ে নিতে একটি শক্তিশালী জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে সুসংহত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিকল্প নাই। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা সর্বোপরি দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালাতে হবে।আজ (১৫ ডিসেম্বর, ২০২৩) বেলা ১১.০০ টায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ১১৬/২ নয়াপল্টনে এক আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত মন্তব্য করেন। দলের স্থায়ী কমিটির অন্যতম সিনিয়র সদস্য আনোয়ার হোসেন আবুড়ীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় প্রধান আলোচক ছিলেন দলের মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের। অন্যান্যদের মাঝে অংশগ্রহণ করেন দলীয় সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, এ্যাড আফতাব হোসেন মোল্লা, সৈয়দ আব্দুল হান্নান নূর, কেন্দ্রীয় নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা এডঃ হাবিবুর রহমান, শেখ এ সবুর, খোন্দকার জিল্লুর রহমান, নুরুজ্জামান বাছার প্রমুখ।
প্রধান আলোচক মুসলিম লীগ মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের বলেন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ধারাবাহিক অনুপস্থিতির কারণে ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তে অর্জিত দেশের মর্যাদা আন্তর্জাতিক বিশ্বে আজ ভূলুণ্ঠিত। জাতিসংঘসহ বিশ্বের তাবৎ গণতান্ত্রিক দেশ ও আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর বাংলাদেশের রাজনীতি, নির্বাচন ও মানবাধিকার নিয়ে দফায়-দফায় উদ্বেগ প্রকাশ বিশ্ব দরবারে দেশকে আসামীর কাঠগড়ায় দাড় করিয়ে কার্যত বন্ধুহীন এক অসহায় রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। এরকম পরিস্থিতির মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য একতরফা, পাতানো ও প্রহসনমূলক দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের সুপারিশে রাজনৈতিক দলগুলোর সভা-সমাবেশের উপর যে বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে তা পক্ষপাতমূলক, অসাংবিধানিক এবং অগণতান্ত্রিক। তিনি এ ধরনের জনস্বার্থ বিরোধী সিদ্ধান্তকে আংশিক জরুরী অবস্থা জারীর সাথে তুলনা করে অবিলম্বে তা বাতিল করার জোর দাবী জানান। প্রবীণ এ রাজনীতিবিদ চরম ভরাডুবি থেকে রক্ষা পেতে ক্ষমতাসীনদেরকে সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করে গণতন্ত্রের মহাসড়কে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। সভা শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদ ও বুদ্ধিজীবীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।












