
খোন্দকার জিল্লুর রহমান:
অবশেষে দেশের অর্থ সম্পদ বিদেশে পাচারকারী লুটেরা খাতের অতি পরিচিত নাম ফারইষ্ট ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান (ফারইষ্ট ইসলামি লাইফ থেকে দুর্নীতির দায়ে বহিস্কৃত)এবং প্রাইম ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের বর্তমান চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম এবং আব্দুল খালেক তার পুত্রসহ গত ১১ সেপ্টেম্বর রবিবার দিবাগত রাত্রের শেষের দিকে কোন এক সময় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহীনি কতৃক তার গুলশানের বাসা থেকে আটক হয়েছেন বলে বিশিষ্ট সুত্রে জানা গেছে। ফারইষ্ট ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লক্ষ লক্ষ গ্রাহকের সঞ্চিত অর্থ আত্মস্বাৎ করে বীমা গ্রহিতাদেরকে পথে বসিয়ে দেয়া উচ্চ মহলের দুর্ধষ্য প্রতারক হওয়াতে ভয়ে তার/তাদের নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন মহল ও প্রতিষ্ঠান তার গ্রেপ্তারের ব্যপারে মুখ খুলতে চায়না, আবার ফারইষ্ট ইসলামি লাইফ থেকে সর্বস্ব হারানো গ্রাহক অনেকেই তাদের গ্রেপ্তারের সংবাদে স্বস্থি প্রকাশ করেছেন। অনেকে আবার প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে আইনশৃঙ্খরা বাহীনিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন, এবং প্রধানমন্ত্রীর ভুয়ষী প্রশংসা করেন।
এদিকে আদালতে তাদের জামিন প্রার্থনা করলেও বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন এবং খালেক ও তার পুত্রকে জেলগেটে জিজ্ঞাসার অনুমোতি দেন।
সম্প্রতি ফারইষ্ট ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দুর্নীতি নিয়ে অর্থনীতির ৩০ দিনবিডি ডটকম অনলাইনে ১১/১২ পর্বের ধারাবাহীক প্রকাশিত হয়। যার ফলশ্রুতিতে ফারইষ্ট ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের অগনিত গ্রাহকের অসহায়ত্ত্বের অবস্থা দেখে অনেকে বীমাখাত এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহীনিসহ বিচার বিভাগের প্রতি আস্তহীনতার কথা প্রকাশ করলেও নজরুল-খালেকের গ্রেপতারের পর সবাই স্বস্থির নি:শ্বাস ফেলে বলেন দুর্নীতিবাজদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী কখনো আপোশ করেননি এবং করবেও না। যার ফলে আইন ও বিচারের প্রতি জনগনের শ্রদ্ধাবোধ অনেকটাই বেড়ে যায়।
দেশের অর্থনীতির ধারক বাহক এবং উন্নয়নের আর্থীক জোগান দাতা হিসাবে শেয়ার বাজারকে ধ্বসের তলানিতে নিয়ে যাওয়ার মুল হোতাগুষ্টির দুর্নীতির বিচার ও আইএমএফ এর চাপ, আইডিআর,র সাবেক চেয়ারম্যান ড: মোশারফ হোসেনের বিদায় নিতে বাধ্য হওয়া সহ বিস্তারিত আসতেছে….












