বীমা বিষয়ক প্রাক-বাজেট (২০১৯-২০২০) সংবাদ সম্মেলন

বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জনাব শেখ কবির হোসেন-এর সভাপতিত্বে বীমা শিল্পের সমস্যা নিয়ে ২১শে মে, ২০১৯ তারিখে এসোসিয়েশনের সম্মেলন কক্ষে প্রাক-বাজেট সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিআই-এর প্রথম ভাইস-প্রেসিডেন্ট প্রফেসর রুবিনা হামিদ এবং ভাইস-প্রেসিডেন্ট জনাব একেএম মনিরুল হক, বিআইএ-এর নির্বাহী কমিটির সদস্য জনাব মোজাফফর হোসেন পল্টু, চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স; জনাব নজরুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স; জনাব নাসির উদ্দিন আহমেদ, ভাইস-চেয়ারম্যান, কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্স; মিসেস ফারজানা চৌধুরী, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স; জনাব মোঃ ইমাম শাহীন, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স; জনাব জামাল এম এ নাসের, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স; জনাব মোঃ জালালুল আজিম, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স; আদিবা রহমান, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স; জনাব মোঃ শামসুল আলম, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, সানফ্লাওয়ার লাইফ ইন্স্যুরেন্স; জনাব এম এম মনিরুল আলম, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স; ড. বিশ্বজিৎ কুমার মন্ডল, মুখ্য নিবার্হী কর্মকর্তা, যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং সেক্রেটারী জেনারেল জনাব নিশীথ কুমার সরকার।
উক্ত সম্মেলনে নিম্নলিখিত বিষয়গুলির উপর আলোকপাত করা হয়।
(১) (ক) পুন:বীমা কমিশনের বিপরীতে ১৫% উৎসে মূল্য সংযোজন কর আদায় বা কর্তন সম্পর্কিত আইন সংগত বিভিন্ন তথ্যাবলী নি¤েœ প্রদর্শন করা হলো ঃ
বীমা আইন ২০১০ এবং বীমা বিধিমালা, ১৯৫৮ এর অধীনে বীমা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯১ এর ৬ ধারা এবং মূল্য সংযোজন কর বিধিমালা এর বিধি-১৮(ক), বিধি-১৮ (খ) সহ প্রচলিত অন্যান্য সকল আইনের বিধান অনুযায়ী উৎসের উপর কর্তন যোগ্য সকল প্রকার মূসক কর্তন করে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে মূসক প্রদান করা হয়।
এখানে উল্লেখ্য যে, পুনঃবীমা প্রিমিয়ামের কমিশনের উপর মুসক প্রযোজ্য নয়। বীমা কোম্পানী প্রিমিয়াম গ্রহণ করলেই গ্রাহকের নিকট থেকে ১৫% হারে মূসক গ্রহন করে তা সরকারী কোষাগারে জমা প্রদান করে। বীমা কোম্পানী ঝুকি ব্যবস্থাপনার স্বার্থে এই প্রিমিয়ামের একটি অংশ পুনঃবীমাকারীকে প্রদান করে পুনঃবীমা গ্রহন করে থাকে। যেহেতু প্রিমিয়াম গ্রহন কালে মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১ এর ধারা ২(ভ) এবং ধারা ৫ এর উপধারা (৪) অনুসারে সম্পূর্ণ প্রিমিয়ামের উপর আইন অনুযায়ী মূসক গ্রহন করে সরকারী কোষাগারে জমা করা হয় এবং এই প্রিমিয়ামেরই একটি অংশ পুনঃবীমাকারীকে প্রদান করা হয়, সেহেতু পুনঃবীমা প্রিমিয়ামের কমিশনের উপর ১৫% ভ্যাট আরোপের কোন সুযোগ নেই। যেহেতু একই বিষয়ের উপরে ভ্যাট প্রদান করা হয়েছে, পুনরায় একই বিষয়ে ভ্যাট প্রদান করা হলে তা দ্বৈত করের সামিল হবে। তাই উল্লিখিত বিষয়গুলি বিবেচনাপূর্বক পুন:বীমা প্রিমিয়ামের উপর ১৫% ভ্যাট প্রদান থেকে অব্যাহতি দেওয়া যেতে পারে।
(খ) ব্যাংক কর্তৃক পুন:বীমা প্রিমিয়ামের উপর মূসক ও উৎস কর দাবী প্রসংগেঃ
বাণিজ্যক ব্যাংকসমূহ ১৫% মূসক এবং ১০% উৎসে কর প্রদান ব্যতিরেকে ওভারসীস পুন:বীমাকারীকে প্রাপ্য পুন:বীমা প্রিমিয়াম প্রেরণে গত নভেম্বর, ২০১৮ থেকে বিরত রয়েছে এবং পুন:বীমাকারীগণ তাদের প্রাপ্য প্রিমিয়াম পাওয়ার জন্য বার বার তাগাদা প্রদান করছে কিন্তু ব্যাংকের কারণে তা প্রেরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থা চলমান থাকলে দেশের নন-লাইফ বীমা খাত মারাক্তক ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। পুন:বীমা চুক্তি অনুযায়ী প্রিমিয়াম প্রদান না করা গেলে দেশীয় বীমা কোম্পানীগুলো ঝুকির মধ্যে পড়বে। বড় কোন দূর্ঘটনা ঘটলে বীমা কোম্পানীগুলো নিজস্ব তহবিল থেকে বীমাদাবী প্রদান করতে পারবে না। এতে করে বীমা গ্রহীতাগন ক্ষতিগ্রস্ত হবে, সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাবে এবং দেশে অর্থনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করবে।
বীমা কোম্পানীগুলো প্রিমিয়ামের উপর ১৫% মূসক প্রদান করা হয়ে থাকে সেহেতু পুন:বীমা কমিশনের উপর ১৫% ভ্যাট আরোপের সুযোগ নেই। এ ধরনের ভ্যাট ধার্য্য করা হলে বিষয়টিকে দ্বৈত কর বলে বিবেচিত হবে।
(২) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্তৃক গৃহিত স্বাস্থ্য বীমার উপর ১৫% ভ্যাট মওকুফ প্রসংগে ঃ
আমাদের দেশে লাইফ ইন্স্যুরেন্সগুলো হেলথ্ ইন্স্যুরেন্স কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং তাদেরকে এই পলিসির জন্য ভ্যাট দিতে হয়না। পক্ষান্তরে নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী ১৫% হারে ভ্যাট প্রদান করে থাকে। যার ফলে হেলথ্ পলিসির মূল্য হার বেশি হচ্ছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর হেলথ্ পলিসি সমূহ জনপ্রিয়তা অর্জনে বাধা প্রাপ্ত হচ্ছে। হেলথ্ পলিসির উপর থেকে ভ্যাট মওকুফ করা হলে অনেক গ্রাহকই হেলথ্ পলিসির আওতায় আসবে। নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীগুলোকে হেলথ্ ইন্স্যুরেন্স পলিসির জন্য লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীগুলোর মত ভ্যাট প্রদান করা থেকে অব্যাহতি প্রদান করা যেতে পারে এবং তা করা হলে নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীগুলোর হেলথ্ পলিসি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জনে সক্ষম হবে এবং জনকল্যান মূলক কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে। এই ভ্যাট মওকুফ করা হলে বীমা কোম্পানীসমূহ নতুন নতুন স্বাস্থ্য বীমা পলিসি বাজেরে নিয়ে আসবে এবং দেশের সকল শ্রেনীর মানুষ এর সুফল পাবে।
(৩) জীবন বীমা পলিসি হোল্ডারদের পলিসি বোনাসের উপর ৫% গেইন ট্যাক্স কর্তন ঃ
২০১৪ সালের আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী দেশের সকল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর পলিসি হোল্ডারদের পলিসি বোনাসের উপর ৫% গেইন ট্যাক্স আরোপ করার ফলে দেশের সকল লাইফ ইন্স্যুরেন্স এর পলিসি হোল্ডারদের সংখ্যা কমে গেছে। গ্রাম-গঞ্জের ক্ষুদ্র পলিসি হোল্ডারদের ঝুঁকির বিষয় মুনাফার সম্বন্ধে সুবিধার কথা বুঝিয়ে তারপর পলিসি বিক্রি করা হয়। ক্ষুদ্র পলিসি হোল্ডারদের পলিসি বোনাসের উপর ৫% গেইন ট্যাক্সের যে বিধান চালু করা হয়েছে তা যদি উঠিয়ে নেওয়া না হয় তাহলে দেশে লাইফ ইন্স্যুরেন্স এর ব্যবসা প্রতিনিয়ত কমতে থাকবে এবং কোম্পানীগুলোর পক্ষে টিকে থাকা কষ্টসাধ্য হবে। পাশাপাশি দেশে ক্ষুদ্র পলিসি হোল্ডারগণ সামাজিক সেবা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হবে। তাই ৫% গেইন ট্যাক্স প্রত্যাহার করা অত্যন্ত জরুরী। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে এ ধরনের গেইন ট্যাক্স আরোপের কোন উদাহরন নেই। জীবন বীমা পলিসি হোল্ডারদের মুনাফার উপর ৫% গেইন ট্যাক্স কর্তন থেকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করা হলো।
(৪) বীমা এজেন্টদের উৎসে কর কর্তন ঃ
আয়কর আইনের সেকশনঃ ৫৩জি অনুযায়ী বীমা শিল্পে কর্মরত এজেন্টদের ক্ষেত্রে প্রাপ্য কমিশনের পরিমান নির্বিশেষে ৫% হারে উৎসে কর কর্তন করার বিধান রয়েছে। পক্ষান্তরে, বিদ্যমান আয়কর আইন অনুযায়ী ব্যক্তি করদাতাদের ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়ের সীমা ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। এ প্রেক্ষিতে বীমা শিল্পে কর্মরত স্বল্প আয়ের এজেন্টদের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ব্যক্তি শ্রেণীর করদাতাদের ন্যয় ন্যূনতম করমুক্ত আয় সীমা পর্যন্ত উৎসে কর কর্তন থেকে অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করা যাচ্ছে।
(৫) পুন:বীমা প্রিমিয়ামের উপর উৎসে কর রহিতকরণ ঃ
বর্তমানে বীমা কোম্পানীগুলো পুন:বীমা প্রিমিয়াম পাঠানোর ক্ষেত্রে উৎসে কর কর্তন সম্পর্কিত অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে। এখানে উল্ল্যেখ্য যে, আমাদের দেশের বীমা কোম্পানীগুলো বীমা সেবার মূল্য নির্ধারণের সময় কোন ধরনের কর মুল্যায়ন করে না এবং উপরন্ত পুন:বীমা কোম্পানীগুলো তাদের প্রাপ্ত প্রিমিয়ামের উপর কোন ধরনের কর দিতে নারাজ। এমতাবস্থায় পুন:বীমার ক্ষেত্রে ১০% হারে কর আরোপিত হলে বীমা কোম্পানীগুলোর ব্যবসায়িক ব্যয় ব্যাপক হারে বেড়ে যাবে এবং এই শিল্পে একটি সংকটময় পরিস্থিতি উদ্ভব হবে। যার ফলশ্রুতিতে কোম্পানী তার অর্জিত মূনাফা হতে বঞ্চিত হইবে এবং সরকার ও রাজস্ব হতে ক্ষতিগ্রস্ত হইবে। তাই আমাদের মতে প্রচলিত আয়কর আইন অনুযায়ী পুন:বীমার উপর উৎসে কর কর্তন রহিত করণ করার জন্য প্রস্তাব করা হল।
(৬) কর্পোরেট কর হারহ্রাস করণ প্রসঙ্গে ঃ
আয়কর অইন অনুযায়ী তালিকাভুক্ত ব্যাংক, ইন্স্যুরেন্স এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর হার ৩৭.৫০% । এ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে যে ব্যাংকিং কোম্পানীগুলোর আয় ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীগুলোর চাইতে অনেক বেশি অর্থাৎ ব্যাংকিং কোম্পানীর আয়ের তুলনায় ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীগুরোর আয় খুবই নগন্য। এ সত্বেও ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর উপর কর হার ব্যাংকিং কোম্পানীর সমানযা কখনো কাম্য হতে পারে না। অন্যদিকে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের কর হার ২৫% অথবা তার চেয়ে কম হারে কর প্রদান করে থাকে, যদিও তাদের ব্যবসায়ের পরিধি ব্যাপক। কিন্তু ইন্স্যুরেন্স ব্যবসায় ব্যাংক এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মত ব্যাপকভাবে প্রসার লাভ করতে পারেনি। তাই ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর কর্পোরেট কর হার ব্যাংকিং কোম্পানীর সমান না রেখে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ন্যয় ৩৫% করার জন্য প্রস্তাব করছি।
(৭) কৃষি বীমার প্রিমিয়ামের উপর মূল্য সংযোজন কর কর্পোরেট কর হার রহিতকরণ প্রসঙ্গে ঃ
আমরা জানি আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষিখাতের ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু জলবায়ু পবির্তনের কারণে এই খাত ক্রমাগত বিপন্ন হচ্ছে, যার ফলে কৃষকরা কৃষি কাজে অনিহা প্রকাশ করছে। তাই কৃষকদের জন্য কৃষি বীমা অপরিহার্য্য। এই জন্য কৃষি বীমা উন্নয়নের জন্য কৃষি বীমা প্রিমিয়ামের উপরমূল্য সংযোজন কর এবং কৃষি বীমা থেকে অর্জিত মুনাফার উপর কর্পোরেট কর হার রহিত করার জন্য প্রস্তাব করা হল।
(৮) অনলাইন ভিত্তিক বীমার প্রিমিয়ামের উপর মূল্য সংযোজন কর রহিতকরণ প্রসঙ্গে ঃ
ভিশন ২০২০ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে বীমা শিল্প ও সরকারের সাথে একাত্ম হয়ে কাজ করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে আমরা অনলাইন পলিসি ইস্যু করার উদ্যেগ গ্রহণ করেছি। যাহা গ্রাহকদের কে সর্Ÿোচ্চ বীমা সেবা দেবার পথকে সুগম করবে। আর ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে বীমা পলিসি ইস্যু করলে যদি ঐ সকল বীমা পলিসি হতে অর্জিত প্রিমিয়ামের উপরমূল্য সংযোজন কর এবং আইসিটি(ওঈঞ) কোম্পানীগুলোর মত অনলাইন ভিত্তিক পলিসির প্রিমিয়াম থেকে অর্জিত মুনাফার উপর কর্পোরেট কর রহিতকরণ করা হয় তাহলে গ্রাহকগণ উৎসাহিত হয়ে বীমা সেবা গ্রহণ করবে। তাই অনলাইন ভিত্তিক পলিসির প্রিমিয়ামের উপর মূল্য সংযোজন কর রহিত করণ করার প্রস্তাব করছি।
(৯) নতুন সামাজিক পণ্য ট্যাক্স এবং ভ্যাট ছাড় ঃ
বিভিন্ন সামাজিক বীমাপণ্য এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য বীমা ম্যাক্রো অর্থনীতির উন্নয়নে এবং উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে আমাদের জীবনযাত্রার মানের উপার ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। আমরা জানি যে যে সব দেশ অর্থনৈতিকভাবে যত উন্নত এবং জীবনযাত্রার মান যত উন্নত ঐ সব দেশে সামাজিক বীমার অবদান তত বেশি। সামাজিক মূল্যবোধ এবং সচেতন তার অভাবই এ শিল্পের বিকাশে মূল বাধা।
একটি সচেতন বিকাশকারী দেশ হিসাবে আমরা নন লাইফ বীমা কোম্পানীগুলো এই সেক্টরের বিকাশে অবদান রাখতে পারি। যদিও এটি অত্যন্ত ব্যয় বহুল সেক্টর। আমরা সামাজিক জীবন যাত্রার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়কে বীমা শিল্পের আওতায় আনার জন্য যে বিশাল বিনিয়োগের প্রয়োজন তার জন্য বীমা কোম্পানী গুলোকে এবং গ্রাহকদের-কে কর অবকাশের অথবা ক্যাশ ইন¯েœটিভের সুযোগ দিলে আমরা উৎসাহিত হব।
বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জনাব শেখ কবির হোসেন সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন। উক্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিআই এর প্রথম ভাইস-প্রেসিডেন্ট প্রফেসর রুবিনা হামিদ এবং ভাইস-প্রেসিডেন্ট জনাব একেএম মনিরুল হক, বিআইএ-এর নির্বাহী কমিটির সদস্য জনাব মোজাফফর হোসেন পল্ট এবং জনাব নজরুল ইসলাম, ড. বিশ্বজিৎ কুমার মন্ডল, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশনের সেক্রেটারী জেনারেল জনাব নিশীথ কুমার সরকার-কে দেখা যাচ্ছে ।